মেইন ম্যেনু

মৃত্যুর ৪০ বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন তিনি!

মানুষের জন্ম-মৃত্য এই দুইটা জিনিস জীবনে একবার করেই ঘটে। জন্মও একবার হয়, মৃত্যুও একবারই। কিন্তু মৃত্যুর ৪০ বছর পর নিজের দু’মেয়ের কাছে ফিরে এলেন মা! এটা কি করে সম্ভব? অনেকেই ভাবছেন সিনেমার গল্প না তো!

না এটি কোনো বাংলা বা বলিউড সিনেমার কাহিনি নয়। নয় কোনো রূপকথার গল্প। একেবারে চরম বাস্তব। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। ১৯৭৬ সালে বিধনু গ্রামে ব্ল্যাক কোবরার কামড় খান ভালিসা নামের নারী। পরিবারের সদস্যরা তাকে মৃত ভেবে গঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দেন। কিন্তু কথায় আছে না রাখে ইশ্বর মারে কে, মারে ইশ্বর রাখে কে। ইশ্বরের কৃপায় বেঁচে যান ওই নারী। ঘটনাক্রমে গঙ্গার মাঝিরা তাকে উদ্ধার করে একটি মন্দিরে রেখে দেন।

দেশটির জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, কানপুরের ইনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা ভালিসা মাঠে ঘাস কুড়াতে গেলে ব্ল্যাক কোবড়ার কামড়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সনাতনী চিকিৎসা দেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর প্রথানুযায়ী তাকে কান্নাউজ জেলার সীমানা দিয়ে গঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। পরে সারাই থেকু এলাকার বাসিন্দারা (পেশায় মাঝি) ভালিসাকে উদ্ধার করেন।

ভালিসার দু’মেয়ে রাম কুমারি ও মুন্নি জানান, শুক্রবার ৮২ বছরের মাকে বাসার সামনে দেখে অবাক হয়েছি। মা অজ্ঞান হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি স্মৃতি ফিরে পাবার পর এক কিশোরীর সঙ্গে আলাপ করেন। পরে ওই কিশোরী তার চাচাকে বিষয়টি জানান। তারপর চিতা রাম (৮২) নামের লোকের সঙ্গে ওই কিশোরীর চাচা আলোচনা করেন।

৪০ বছর আগে ভালিসার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয়া ব্যক্তি হলেন চিতারাম। তিনি ঘটনাটি বুঝতে পেরে ভালিসার দু’ মেয়েকে জানান। পরে জন্মদাগ দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভালিসার বড় মেয়ে রাম কুমারী।






মন্তব্য চালু নেই