মেইন ম্যেনু

মুশফিক-সাকিবদের জন্য পাইলটের বিশেষ টোটকা

২০০০ সালে আইসিসির থেকে টেস্ট স্ট্যাটাস পায় বাংলাদেশ। কিন্তু এই ফরমেটে এখনো টাইগারদের দৈন্য দশা কাটেনি। ভারত-পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামতে হচ্ছে ড্রয়ের লক্ষ্য নিয়ে? প্রায় ১৫ বছর পরও এমন মানসিকতা টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশকে অনেকটা পিছিয়ে রেখেছে। যা ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে ‘আনকোড়া’ বাংলাদেশেরই নামান্তর!

যদিও সাকিব-তামিম-মুশফিকরা ওয়ানডেতে আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছেন, টেস্টে সেটা করে দেখাতে পারেননি। এখানে ব্যর্থতা কারণ কী? উত্তর খোঁজা হচ্ছে ১৫ বছর ধরে। তবে ওয়ানডের মতো কোনো একদিন টেস্টেও বাংলাদেশ আধিপত্য বিস্তার করবে, এমন প্রত্যাশায় বুক বেধে আছেন ভক্তরা।

এদিকে টেস্টে ভালো করার জন্য সাকিব-মুশফিকদের বিশেষ টোটকা দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। জানালেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে লংগার ভার্সনে বেশি খেলতে হবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে যতগুলো লিস্ট এ (ওয়ানডে) ম্যাচ খেলা হয়, সে তুলনায় লংগার ভার্সনের ম্যাচ যথসামান্যই। এ ছাড়া ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কারণে জাতীয় লিগ বা বিসিএলে অংশ নিতে পারেন না মুশফিক-তামিম-সাকিবরা। যা টেস্টে টাইগারদের খারাপ খেলার অন্যতম কারণও বটে। খালেদ মাসুদ পাইলটও মনে করছেন তেমনই।

সুতরাং জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বেশি বেশি লংগার ভার্সনের ম্যাচ খেলার পরামর্শ দিয়ে পাইলট বলেন, ‘অনেক সময় ক্রিকেটের ব্যস্তসূচির জন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা জাতীয় লিগ কিংবা বিসিএলে অংশ নিতে পারে না। এর জন্য একটি আলাদা ক্রিকেট ক্যালেন্ডার রাখা জরুরি। টুর্নামেন্টগুলো কখন অনুষ্ঠিত হবে-এটা মাথায় থাকলে ক্রিকেটাররা আগেভাগেই নিজেদের প্রস্তুত করে নিতে পারবে। আমি মনে করি, লংগার ভার্সন ক্রিকেট বেশি খেললে টেস্টেও সাকিব-তামিমরা আরো ভালো করবে। সুতরাং চার দিনের ম্যাচ যত বেশি খেলবে আমাদের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা, টেস্টে তত দ্রুত উন্নতি আসবে বাংলাদেশের।’






মন্তব্য চালু নেই