মেইন ম্যেনু

ভালোবেসে হাত ধরে চলে যেয়ো না

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুকমি বলেছেন, ‘আজকাল তরুণ-তরুণীরা বাবা মাকে বাদ দিয়ে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো যুবকের হাত ধরে চলে যায়। সাবধান! অল্প বয়সের কোনো ছেলেকে ভালোবেসে তার হাত ধরে চলে যেয়ো না। কারণ, এটাই হবে তোমার জীবন ধ্বংসের কারণ।’

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তরে ‘বাংলাদেশ গার্ল সামিট-২০১৪’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘আর নয় বাল্যবিয়ে, এগিয়ে যাবো স্বপ্ন নিয়ে’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কার্যকর একটি জাতীয় আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ডিএফআইডির সহযোগিতায় এর উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক।

মূলত সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগীসহ সবার যৌথ উদ্যোগে বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই ছিল এ সামিটের মূল উদ্দেশ্য। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শতশত তরুণ-তরুণী অংশ নেয়।

প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘বল্যবিয়ে রোধে সরকার বদ্ধ পরিকর। মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যুহার, দরিদ্রতাসহ সব ক্ষেত্রে আমরা সফলতা অর্জন করলেও দুর্ভাগ্য বাল্যবিয়েতে আমরা এখনো পিছিয়ে রয়েছি। এজন্য আমরা বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন ২০১৪ প্রায় চূড়ান্ত করে পেলেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫ এর মধ্যে “বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ১৯২৯” সংশোধন করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ থেকে ১৮ বছর সময়ের মধ্যে বিয়ের ঘটনা এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে সব বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হবে।’

চুমকি আরো বলেন, ‘মানব সমাজের অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের মধ্যে বল্যবিয়ে অন্যতম। আমরা বাল্যবিয়েকে এক নম্বর চ্যালেঞ্জ হিসেবে ধরছি, এর কারণগুলো চিহ্নিত করেছি। পর্যায়ক্রমে এ নিয়ে কাজ করা হবে।’

ভালোবেসে হাত ধরে চলে যেয়ো নাব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- ব্রিটিশ সংসদ সদস্য লিন ফেদারস্টোন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক-উল-ইসলাম, ব্র্যাকের সিনিয়ন ডাইরেক্টর আসিফ সালেহ, নারী নেত্রী হাছিনা নেওয়াজ প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই