মেইন ম্যেনু

ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে আইসিসির কঠোর হুঁশিয়ারি!

ধর্মশালায় শেষ টেস্টের আগে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া দুই দলের মধ্যে আবারও অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ক্রিকেটের এই দুই শক্তিধর দেশের বিবাদে মহাবিরক্ত হয়ে আইসিসি ঘোষণা দিয়েছে এ নিয়ে আর হস্তক্ষেপ করবে না তারা। আইসিসির পক্ষ থেকে ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন শান্তির দূত হয়ে বিরাট কোহালি ও স্টিভ স্মিথকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এরপর আর মুখে কিছু বলা হবে না। যদি কেউ আইসিসির আইন ভঙ্গ করেন তবে কোড অব কনডাক্ট প্রয়োগ করা হবে।

দুই অধিনায়ককে নিয়ে সেই বৈঠকে আইসিসির কঠোর আচরণবিধির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন রিচার্ডসন। সেই বৈঠকের পরেই আইসিসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিরিজে এখনও পর্যন্ত

দুই অধিনায়কের দিক থেকেই বেশ কয়েকবার আগ্রাসী মন্তব্যর বিস্ফোরণ ঘটেছে। একান্ত বৈঠকে ম্যাচ রেফারি রিচার্ডসন এই বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন তাদের সঙ্গে। আইসিসি আচরণবিধি অনুযায়ী, মাঠে বিতর্ক চলতে থাকলে সব চেয়ে বেশি দায় বর্তায় অধিনায়কদের ওপর।

সমস্যা হলো ধর্মশালা টেস্টের আগে রাঁচিতে ভারতীয় দলের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহাটকে নিয়ে অস্ট্রেলীয়রা স্লেজিং করছিল বলে অভিযোগ জানান বিরাট। পাল্টা জবাব দিয়েছেন স্মিথ। আইসিসি মনে করছে এখনও কোহালি বা স্মিথ সীমানা অতিক্রম করেননি। তবে যে ভাবে ধর্মশালার ঠাণ্ডা, মনোরম পাহাড়ি পরিবেশেও উত্তাপ বাড়ছে, কী হবে কেউ জানে না। আবারও কোহালিকে নিয়ে কটু মন্তব্য করে বসেছেন স্মিথদের বোর্ডের সিইও জেমস সাদারল্যান্ড। তার উত্তরে আবার ভারতীয় বোর্ড কোনো মন্তব্য করে কি না, সেটা দেখার।

দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা প্রেস বক্স পর্যন্ত গড়িয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের গুরুতর অভিযোগ, অস্ট্রেলিয়া দলের মিডিয়া ম্যানেজার ড্রেসিংরুম থেকে খবর নিয়ে সে দেশের সংবাদমাধ্যমে কোহলিদের খাটো করেছেন। অস্ট্রেলীয় মিডিয়া ম্যানেজার অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাতে সিরিজ কভার করতে থাকা ভারতীয় মিডিয়ার কেউ কেউ আবার টিপ্পনী কেটেছেন, “অস্বীকার করেছে মানেই ঠিক খবর। ” মনে করা হচ্ছে, মাঠের মতো ধর্মশালার প্রেস বক্সেও ম্যাচ চলবে দুই দেশের।






মন্তব্য চালু নেই