মেইন ম্যেনু

বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্মভেদী মুহূর্ত

ফুটবল বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে হেরে যাওয়া মানেই বিদায়। এ বিদায়টাকে কেউই সহজে মানতে পারে না। তাই পরাজয়ের পর দেখা যায় মাঠে ফুটবলারদের আর মাঠের বাইরে দর্শকদের চোখে জলের ধারা। এই যেমন জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্রাজিলের স্টেডিয়াম জুড়ে দর্শকদের কান্না। এসবই ছিল ব্রাজিল বিশ্বকাপের হৃদয় বিদারক মুহূর্তগুলোর একটি।

তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্মভেদী ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতে। পেনাল্টি শুট আউটে যখন নেদারল্যান্ডস হেরে যায়, টাইব্রেকারে জিতে যখন মাঠ ও গ্যালারি জুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা উল্লাস শুরু করেছে, ঠিক তখনি দেখা গেল গ্যালারির দিকে হেঁটে যাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের তারকা ফুটবলার আরজেন রোবেন। সাইডলাইন পার হয়ে কান্নারত ছেলেকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। কিন্তু তাতে কান্নার রোল যেন আরো বেড়ে গেল ছেলে লুকার।
বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল রোবেনদের। ছেলে লুকার অনেক আশা ছিল এ বছর বাবার হাত ধরেই নেদারল্যান্ডস প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হবে। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে টাইব্রেকারে জেতার পরও বাপ-ছেলেকে একসঙ্গে দেখা গেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস করতে।

তবে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে হেরেই তার স্বপ্ন সমাধি ঘটলো। হয়তো লুকা বুঝে ফেলেছিল তার ৩০ বছর বয়সী বাবার পক্ষে আগামী বিশ্বকাপে আর মাঠে নামা হবে না। আরাধ্য ট্রফিটি ছুঁয়ে দেখা হবে না। কান্নাটা হয়তো সে কারণেই এত বেশি জোরালো!






মন্তব্য চালু নেই