মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশী হ্যাকারদের দ্বারা স্টার জলসা চ্যানেল হ্যাক! ( ভিডিও )

দেশে প্রথমবারের মতো টেলিভিশন চ্যানেল হ্যাক করলো দেশের শীর্ষ হ্যাকার সংগঠন বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এডমিন রোটেটিং রটোর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন। হ্যাক হওয়ার সময় টেলিভিশন স্ক্রিনে গ্রে হ্যাট হ্যাকারসের লোগো ও হ্যাক সংক্রান্ত তথ্য দেখতে পাওয়া যায়। রোটেটিং রটোর ফেসবুকে হ্যাকার ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আমরা সফলভাবে স্টার জলসা চ্যানেল হ্যাক করতে সক্ষম হয়েছি। চ্যানেলে প্রোগ্রাম চলাকালীন সময় আমরা কিছু সময়ের জন্য চ্যানেলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে সক্ষম হই। এ সময়ে আমরা আমাদের পূর্ব ধারণকৃত ভিডিও প্রোগ্রামের মাঝে, দর্শকদের উদ্দেশ্যে সম্প্রচার করি। নিরাপত্তার খাতিরে আমাদের এই হ্যাকিং মিশন খুলনা শহরেই সীমাবদ্ধ ছিল। যার ফলে শুধু খুলনাবাসীরাই প্রত্যক্ষ করেছেন।

রোটেটিং রটোর তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে লিখেছেন, বাংলাদেশীরা যেন বিদেশী সংস্কৃতির প্রতি এতোটাই আসক্ত না হয় যে, নিজস্ব সংস্কৃতি এবং পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন ভুলে গিয়ে, বিবাদ, কলহ ও বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত জনপ্রিয় ভারতীয় সিরিয়ালের (বোঝে না সে বোঝে না) পাখি ড্রেসের কারণে ৩টি আত্মহত্যা এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এই সিরিয়াল দেখা নিয়ে মারামারি পর্যন্ত হয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক এবং আমাদের সংস্কৃতির জন্য তা আশংকাজনক। প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারসের হ্যাকারসের ক্রু ‘বোকা মানুষ’ এবং ‘ভেঞ্চার’ হ্যাকিং কার্যক্রমটি পরিচালনা করেন এবং “টিএনটি” ভিডিও মেসেজটি তৈরি করেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘এর আগে পৃথিবীর শীর্ষ হ্যাকার সংগঠন অ্যানোনিমাস টেলিভিশন চ্যানেল হ্যাক করে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। এখন আমরাও এই সক্ষমতা অর্জন করে বিশ্বের ২য় হ্যাকিং টিম যারা টিভি চ্যানেল হ্যাক করতে পেরেছে তাদের অন্তর্ভুক্ত হলাম। মিশনে সফলতা অর্জনের জন্য আমি রোটেটিং রটোর, সকল ক্রু, শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানাই’।

অবশ্য প্রিয় ডট কমে প্রকাশিত এই সংবাদের সত্যতা নিয়ে অনেক পাঠক সন্দিহান। তাদের মন্তব্য থেকে সেটাও বোঝা যায়।






মন্তব্য চালু নেই