মেইন ম্যেনু

বসের ঘ্যানঘ্যানানি থেকে মুক্তির অব্যর্থ পথ বাতলে দিলেন গবেষকরা

দিনভর অফিস। বাড়ি ফিরেও স্বস্তি নেই। কাজের চাপ। সারাদিন ধরে বসের ঘ্যানঘ্যানানি শোনার পরে শারীরিক ক্লান্তি যেন চোখ-মুখে ফুটে ওঠে। রাগ হয়, অথচ কিছু বলতেও পারেন না ভয়ে— পাছে চাকরি চলে যায়! রোজকার এই একই সমস্যা। এবার এর থেকে মুক্তি পাওয়ার এক অভিনব উপায়ের খোঁজ দিলেন সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। সম্প্রতি তাঁদের গবেষণাপত্রটি ‘অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি’ গবেষণা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

ওই গবেষণায় জানা গিয়েছে, আপনার সারাদিন যদি এভাবেই খারাপ যায়, তবে বাড়ি ফিরেই এক ঘন্টা সাঁতার কাটুন। সাঁতার কাটার সুযোগ না পেলে একঘন্টা হেঁটে নিতে পারেন। তাহলেই সারাদিনের সমস্ত ক্লান্তি নিমেষে কেটে যাবে। আর এতে আপনার শরীরও ভাল থাকবে।

গবেষক দলের মুখপাত্র শ্যানন টেলর জানিয়েছেন, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত কর্মচারী অফিসের বসের থেকে দুর্ব্যবহার পান, তাঁরা বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গেও ঠিক একই ব্যবহার করে থাকেন। এর মূল কারণ মানসিক চাপ। ফলে তাঁরা যে ব্যবহার পান, সেই ব্যবহারই ফিরিয়ে দেন পরিবারের সদস্যদের।

মোট ১১৮ জনের উপর একটি সমীক্ষা চালান ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির গবেষকদের দলটি। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তাঁদের উপরে নজর রাখা হয়। এরপরেই মূল সিদ্ধান্তে আসেন গবেষকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, দিনের শেষে যদি ৫৮৭ ক্যালোরি শক্তি যদি খরচ করা যায়, তবে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এবং তার জন্য একজন মানুষের এক ঘণ্টার সাঁতার কিংবা ৯০ মিনিটের হাঁটাই যথেষ্ট।






মন্তব্য চালু নেই