মেইন ম্যেনু

ফের সাগরে ভাসছে টাইটানিক

বিশ্বের বহুল আলোচিত জাহাজ টাইটানিক উত্তর আটলান্টিক সাগরে ডুবে গিয়েছিল ১৯১২ সালে। কিন্তু থামেনি জাহাজটি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। বানানো হয়েছে চলচ্চিত্র। তবু উৎসাহ কমেনি। এবার সেই জাহাজের আদলে বানানো হবে আরেকটি। নাম হবে টাইটানিক-২।

২০১৮ সালের মে মাসে সেই টাইটানিকে জাহাজটি সাগরে ভাসবে এবং যাত্রী পরিবহনও করবে বলে একটি লন্ডনভিত্তিক ট্রাভেল কোম্পানিসূত্রে জানা গেছে। খবর সিএনএনের

অস্ট্রেলিয়ার কোটিপতি ক্লিভ পালমার ও তাঁর প্রতিষ্ঠান ব্লু স্টার লাইন টাইটানিক-২ বানাচ্ছে। আসল টাইটানিক ডুবে যাওয়ার প্রায় ১০৬ বছর পর ২০১৮ সালে এটি যাত্রা করবে। তবে আগের টাইটানিকের নকল এই জাহাজটির সঙ্গে থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক ছোট নৌকা (লাইফ বোট)। তবে আধুনিক প্রযুক্তিতে বানানো ওই নৌকাগুলোও আসল টাইটানিকের লাইফ বোটগুলোর মতো অবিকল ঢঙে বানানো হবে।

একশো বছরেরও বেশী সময় পার হয়ে গেছে, ব্যাপারটা এখনো তেমনই আছে। ভারী পকেটের যাত্রীরা চাইলে এই স্বপ্ন পুরণ করতে পারবেন। লন্ডন ভিত্তিক ট্রাভেল কোম্পানি ব্লু মার্বেল প্রাইভেট, আগামী বছরের মে মাস থেকে এই সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে।

কখনো ডুবে যাবে না এমন ঘোষণা দেয়া টাইটানিক জাহাজটি ডুবে যাবার বহুবছর পর রবার্ট ব্যালার্ড ও তার দল এটি খুঁ জে বের করে ১৯৮৫ সালে। টাইটানিকে এটাই শেষ ভ্রমণসুযোগ বলে জানিয়েছে ট্রাভেল কোম্পানিটি।

বেলফাস্ট টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টাইটানিক-২ জাহাজের দৈর্ঘ্য ২৭০ মিটার ও উচ্চতা ৫৩ মিটার হবে। নয় তলাবিশিষ্ট জাহাজটিতে ৮৪০টি কেবিন থাকবে। এটি দুই হাজার ৪০০ জন যাত্রী ও ৯০০ নাবিক ধারণ করতে পারবে। এতে সুইমিংপুল, তুরস্কের গোসলখানা ও ব্যায়ামাগার থাকবে।

জাহাজটি ৪০ হাজার টন ওজন বহন করতে পারবে। আর আসল টাইটানিকের মতো এই জাহাজেও প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির টিকেটের ব্যবস্থা থাকবে।

উল্লেখ্য, ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক সাগরে বরফের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায় আসল টাইটানিক জাহাজ। এ ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ও নাবিক নিহত হন।






মন্তব্য চালু নেই