মেইন ম্যেনু

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন মিজু আহমেদ

শক্তিশালী খল অভিনেতা মিজু আহমেদের প্রকৃত নাম মিজানুর রহমান। পর্দায় তাকে দর্শকরা মন্দ মানুষ হিসেবে দেখলেও তিনি বাস্তবে নীতি ও সততার সঙ্গে জীবন কাটাতেন। নিয়মিত পাঁচওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন এই অভিনেতা। তিনি বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বহুবার। নিরপাদ সড়ক চাই আন্দোলনের সঙ্গেও ছিলেন যুক্ত।

স্ত্রী পারভীন আহমেদ, দুই মেয়ে কেয়া ও মৌ এবং একমাত্র ছোট সন্তান হারসাতকে নিয়েই ছিল তার সুখি পরিবার। অবসরে ক্রিকেট খেলা দেখতে পছন্দ করতেন তিনি। বড় পর্দায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০টির মতো ছবি মুক্তি পেয়েছে তার। আজ ট্রেনে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান তিনি।

মিজু আহমেদের জন্ম ১৯৫০ সালের ১৭ নভেম্বর কুষ্টিয়ায়। ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘তৃষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে খল অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে আগমন তার। শৈশব থেকেই কুষ্টিয়ার স্থানীয় নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। বড় পর্দায় এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০টির মতো ছবি মুক্তি পেয়েছে তার। মিজু আহমেদ একাধিক ছবি প্রযোজনাও করেছেন। তার প্রযোজনা সংস্থার নাম ফ্রেন্ডস মুভিজ। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতিও নির্বাচিত হন মিজু আহমেদ।

তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে তৃষ্ণা, মহানগর, স্যারেন্ডার, চাকর, ত্যাগ, আজকের সন্ত্রাসী, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, কুলি, লাঠি, লাল বাদশা, গুন্ডা নাম্বার ওয়ান, ঝড়, কষ্ট, ইতিহাস, ভাইয়া, হিংসা প্রতিহিংসা, বিগ বস অন্যতম। ১৯৯২ সালে মিজু আহমেদ তৃষ্ণা চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের সুবাদে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।






মন্তব্য চালু নেই