মেইন ম্যেনু

পদ্মাসেতুর নদী শাসনে ৩ কোম্পানি প্রস্তাব দিয়েছে

যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে নদী শাসনের প্রস্তাবে তিনটি কোম্পানি আর্থিক প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বিচার বিবেচনা করে এসব প্রস্তাবের কার্যাদেশ জুলাই এর শেষ সপ্তাহে দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেতু ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী জানান, তিনটি কোম্পানি আর্থিক প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্রস্তাব দেয়া কোম্পানিগুলো হলো- কোরিয়ার কোম্পানি ইয়ানডাই ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ডা কনস্ট্রাকশন, বেলজিয়ামের কোম্পানি জানডিনূল এনভি এবং চিনের কোম্পানি সিনো হাইড্রো।

মন্ত্রী বলেন, ‘মূল সেতু এবং নদী শাসন এই দুই ভাগে পদ্মা সেতু নির্মাণ কার্যক্রম বিভক্ত। তবে গত ১৭ জুন মূল সেতুর কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার ছিলো নদী শাসন কার্যাদেশ পেতে আগ্রহীদের আর্থিক প্রস্তাব দেয়ার শেষ দিন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে নদী শাসনের কার্যদেশ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি মূল সেতুর কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে দুটি কাজ করতে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের সময়ও দুটি কাজ একই সঙ্গে হয়েছিলো। এছাড়া বিশ্বের বিভন্ন দেশের সেতু নির্মানেও নদী শাসন ও মূল সেতুর কাজ এক সঙ্গে করা হয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতুর জন্য মোট ১৪ কিলোমিটার নদী শাসন করা হবে। এর জন্য সময় লাগবে চার বছর। নদী শাসনের কার্যাদেশ দেয়ার সুপারভিশন ও কলসালটেন্টের কাজ জুলায়ের মাঝা মাঝি শুরু হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনেকে মনে করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না। তাদের এ ধরণের ধারণার জবাব আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে পদ্মা সেতু করে দিবো। সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ টাকা অন্য কোনোভাবে নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা নেই।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের পরামর্শকদের দেখানো পথেই মূল সেতু ও নদী শাসন সকল কাজই করা হচ্ছে।’

চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডকে নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কোম্পানিটি এর আগে লালন সেতু ও কর্ণফুলি সেতু নির্মাণ করেছে। এতে তাদের কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। শুধু তাই না এ প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে তিনশ সেতু করেছে। এর কোনোটিই ৫ কিলোমিটির দৈর্ঘের কম না। এছাড়া বিশ্বব্যাংকও তাদের অযোগ্য ঘোষণা করেনি।’

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে পদ্মা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে মূল সেতুর কার্যাদেশের চুক্তি সই হয়।






মন্তব্য চালু নেই