মেইন ম্যেনু

নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির স্থান নেই

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী একাদশ নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির স্থান হবে না। কারণ দশম সংসদে তাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।
শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে চলমান রাজনীতি শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপিকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়ন হবে না। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালে নির্বাচন হবে। বাংলাদেশে আর কখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হবে না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি হুমকি দিচ্ছে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন করে সরকার পতন ঘটাবে। আমি বলতে চাই, ২০১৩ সালের শেষের দিকের মতো সহিংস কোনো তাণ্ডব করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।’
বিএনপিকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করার উপদেশ দিয়ে কামরুল বলেন, ‘নিয়মতান্ত্রিক পথে হাঁটলে আপনাদের জন্যই মঙ্গল। যদি অনিয়মতান্ত্রিক পথে হাঁটেন তাহলে আপনাদের কপালে ভয়াবহ দুর্ভোগ আছে। অনিয়মতান্ত্রিক সন্ত্রাসের মোকাবেলা এমনভাবে করা হবে যাতে আপনারা (বিএনপি) নিশ্চিহ্ন হয়ে যান।’
মির্জা ফখরুল ও বিএনপির নেতারা জঙ্গিবাদের মূখপাত্র হিসেবে কথা বলেন বলে মন্তব্য করে কামরুল বলেন, ‘বিশ্ববাসী জানে আওয়ামী লীগ সরকার জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠাপোষকতা করে না। যা বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায়থাকালীন করেছে। তারা ক্ষমতায়থাকালীন আল-কায়েদার প্রধান জাওয়াহারি বাংলাদেশ সফর করেছিলেন বলে আমরা মিড়িয়ায় জানতে পেরেছি। আর এ সরকার ক্ষমতায় থাকলে জঙ্গিদের অসুবিধা হয়। তাই তাদের মূখপাত্র হিসেবে বিএনপি সরকার পতনের কথা ও বিষদগার করছে।’
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের কৈলাশকে অভিনন্দন জানান কামরুল।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক বলরাম পোদ্দার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী, অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই