মেইন ম্যেনু

নিমগাছ থেকে বের হচ্ছে ‘বিয়ার’! হুলস্থুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

প্রকৃতির ভান্ডার অপার৷ এই প্যান্ডোরা বাক্সের অনেক রহস্যই এখনও অজানা মানুষের কাছে৷ ক্রমশ প্রকাশ্য সম্পদের খাতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে৷ সৌজন্যে, পাঁচ দশকের পুরানো এক নিম গাছ৷ যার কাণ্ড থেকে অলৌকিকভাবে নিঃসৃত হচ্ছে সাদা রঙের পানীয়৷ খেলেই ধরছে নেশা৷ আর এই নয়া নেশাতেই মজেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে ছোট-বড় কর্মীরা৷

নতুন এই পানীয়র নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিম বিয়ার’৷ নভেম্বর থেকে যা পাওয়া যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাগবি স্টেডিয়ামের পাশের একটি নিম

গাছ থেকে৷ প্রথম এই রস খেয়ে দেখেছিলেন ক্যাম্পাসে কাজ করতে আসা এক কর্মী৷ ২ থেকে ৩ গ্লাস খাওয়ার পরই নেশা বোধ করেন তিনি৷ এরপর থেকেই ছড়িয়ে যায় নিম বিয়ার-এর গুণ৷ প্রশাসকদের দাবি, এর মাধ্যমে শরীরের কোনও ক্ষতি হয়নি৷ উল্টো নিমের ঔষধি গুণ শরীরের উপকারই করবে৷

ক্যাম্পাসে আরও ১৫টি নিম গাছ রয়েছে৷ কিন্তু শুধুমাত্র এই গাছটি থেকে বের হচ্ছে এই সাদা তরল৷ কেন এমনটা হচ্ছে তাঁর ঠিকঠাক কোনও কারণ এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাননি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা৷ তবে গবেষকদের ধারণা, কোনও ব্যাক্টিরিয়ার কারণে গাছের ভিতরের তরল ফারমেন্টেড হতে শুরু করেছে৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই তরলের মাদক গুণ কমে আসছে৷ কিন্তু এর জনপ্রিয়তা কমেনি৷ গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে একটি পাত্র৷ যাতে রোজ জমা হয় এই সাদা তরল৷ বহু দূর থেকে পাওয়া যায় এর গন্ধ৷ যা নাকি অনেকটা দেশি মদ বা তাড়ির মতো৷

প্রসঙ্গত, বছর কয়েক আগে বারাণসিতে এভাবেই এক নিম গাছ থেকে তরল নির্গত হতে দেখা গিয়েছিল৷ পরীক্ষার পর জানা যায়, তাতে স্যালিসাইক্লিক অ্যাসিড পাওয়া যায়৷ যা অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধের মূল উপকরণ৷ সে কারণেই ধরছে নেশা৷ আর আপাতত তাতেই মজেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর৷






মন্তব্য চালু নেই