মেইন ম্যেনু

না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তিনি মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন, না মরলে জিয়াউর রহমানকেও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি করতাম।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের প্রথম যৌথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাক, জিয়াকে সে সেনাপ্রধান করে। মোশতাক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, তার মানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার সম্পৃক্ততা আছে। মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন, নইলে তাকেও আসামি করতাম। আসামি করতাম, এটাই পরিষ্কার কথা।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার ও আমার পরিবারকে হেয় করার জন্য ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করছে।’

৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অর্ধেকের বেশি সংসদ সদস্যের নির্বাচিত হওয়া নিয়ে ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যেরও সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উনি তো ৭০, ৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া আসনে আনকনটেস্টেড জিতেছিলেন, এখন তিনি এ নিয়ে কথা বলেন কিভাবে?’

৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের প্রথম যৌথ সভায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘একদিকে দলকে যেমন সুংগঠিত করতে হবে। অপরদিকে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করেই আমাদের সরকার পরিচালনা করতে হবে। বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যেখানে অনেক উন্নত দেশ হোঁচট খেয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ সার্বিক দিক দিয়ে ভালো করেছে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট নিয়ে সংসদ সদস্যদের দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘বাজেটের লক্ষ্য সংসদ সদস্যরা জাতির সামনে তুলে ধরবেন। সংসদ সদস্যদের বক্তৃতা দেবার সুযাগ মুলত দুইবারই আসে। তা হল মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ আলোচনা ও বাজেটের ওপর আলোচনা।’

তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা খুব বেশি সীমাবদ্ধতা থাকে না কারণ তখন পার্লামেন্ট আমরা যতদিন খুশি চালাতে পারি। কিন্ত বাজেট অধিবেশনে সেই সুযোগটা খুব বেশি থাকে না। কারণ সংবিধান অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে বাজেট পাস করতে হবে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে সরকারি ছুটি থাকে। সেই সূচিটা দেখে নিয়েই বাজেট পাস করতে হয়।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী বাজেট অধিবেশনে প্রথম যে আলোচনা করতে তাকে প্রস্তুতি নেবার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘ওপেনিং ব্যাটসম্যান কে হবে সেটাও আগে থেকেই ঠিক করতে হবে।’

বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও পার্লামেন্টারি পার্টির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই