মেইন ম্যেনু

নাতনির উক্ত্যক্তকারীদের হামলায় আহত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা ময়মনা খাতুন

নাতনির উক্ত্যক্তকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা ময়মনা খাতুন এখন হাসপাতালে। বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছেন তার পরিবারের অন্যরাও। ময়মনার স্কুলপড়ুয়া নাতনিকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও গ্রেফতার হয়নি মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা।

এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন। ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিক এটিএম রবিউল করিম ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে গুরুতর আহত ময়মনা খাতুন ও তার মেয়ে রোকেয়া খাতুন এখন ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। ময়মনার মেয়ের জামাই সেকান্দার আলী চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

রোকেয়া খাতুন জানান, তার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করতো একই গ্রামের জলিল মহরীর বখাটে পুত্র খলিলুর রহমান খলিল। সে একাধিকবার বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিল। কিন্তু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে স্থানীয় বগার বাজারের চায়ের দোকানে সেকান্দার আলীকে লাঠি ও রড দিয়ে মেরে আহত করে খলিল এবং তার ভাই শাকিল।

খবর পেয়ে ময়মনা ও রোকেয়া ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. প্রানেশ চন্দ্র পন্ডিত জানান, আহতদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে এখন তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

ফুলপুর থানার ওসি আলী আহাম্মদ মোল্লা জানান, হামলার ঘটনায় সেকান্দার আলী বাদী হয়ে জলিল মহরীর পুত্র খলিলুর রহমান খলিল ও তার ভাই শাকিলকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। তাদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে।

এদিকে মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সেকান্দার আলীর বাড়ি থেকে বের হলে তার পথ আটকে জলিল মহরীর পরিবারের লোকজন হুমকি দিয়েছে, মামলা প্রত্যাহার করে না নিলে তাকে মেরে ফেলা হবে। এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানা গেছে।






মন্তব্য চালু নেই