মেইন ম্যেনু

দেশের একটি বিষয় নিয়েই সবচেয়ে বেশি লজ্জিত অক্ষয় কুমার

প্রকৃতির ডাক স্থান-কাল-পাত্র কিংবা পাত্রী বিচারে আসে না৷ যখন-তখন, যেখানে-সেখানে শরীরের নিম্মাঙ্গে চাপ অনুভূত হতেই পারে৷ তা যেমন পুরুষের ক্ষেত্রে হতে পারে, তেমনই নারীর শরীরেও হতে পারে৷

প্রয়োজন এক হলেও পুরুষশাসিত ভারতীয় সমাজে নারী-পুরুষের শৌচের অধিকার এক নয়৷ আর এতেই ক্ষুদ্ধ বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমার৷ নিজের এই ক্ষোভ ফেসবুকের মাধ্যমে উগরে দিলেন আক্কি৷ সাফাই নিয়ে বললেন সাফ কথা৷

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্বচ্ছতার জন্য গলা ফাটাচ্ছে মোদি সরকার৷ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হয়েছে শৌচালয়৷ কিন্তু আজও দেশের বহু মানুষ তার বদলে প্রকাশ্যে শৌচকর্ম করতে যাচ্ছেন৷

আর এতে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন মহিলারা৷ পুরুষেরা নির্বিচারে যখন-তখন যেখানে খুশি শৌচকর্ম সেরে মুক্ত হতে পারেন৷ কিন্তু যেই নারীদের সম্মানের অজুহাতে ঘোমটার আড়ালে রাখা হয়৷

তাঁদের এই সুযোগ নেই৷ অনেককে আবার ভোরের সূর্য ওঠার আগেই প্রাতঃকৃত্য সেরে নিতে হয়৷ এরপর যতই অসুবিধা হোক আর যাওয়ার উপায় থাকে না৷

দেশের একটি বিষয় নিয়েই সবচেয়ে বেশি লজ্জিত অক্ষয় কুমার। নিজের নতুন ছবি ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’র শুটিং করতে গিয়ে এই সত্য উপলব্ধি করেছেন অক্ষয়৷ জানতে পেরেছেন, এক ভয়ানক সত্য৷

যত্রতত্র শৌচ করার ফলে প্রতিদিন প্রায় ১০০০ শিশুর মৃত্যু হয় সংক্রমণের ফলে৷ আক্রান্ত হন মহিলারাও৷ এই প্রথার পরিবর্তন চান অক্ষয়৷

শুধু সরকারের ভরসায় বসে না থেকে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের কাছে তিনি আবেদন জানিয়েছেন এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে৷ শৌচকর্মের শৌচনীয় অবস্থা বদলাতে।-সংবাদ প্রতিদিন






মন্তব্য চালু নেই