মেইন ম্যেনু

দেশেই গাড়ি তৈরি হবে : আমু

সরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মাধ্যমে দেশে শুধু গাড়ি সংযোজন নয়, পূর্ণাঙ্গ গাড়ি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেন, ‘দেশের বাজারে ক্রমবর্ধমান মোটরগাড়ির চাহিদা মেটাতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

শনিবার বাংলাদেশ মটর পার্টস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী একথা জানান। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে অবস্থিত হোমটাউন মটর পার্টস মার্কেটে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি সাহিদুর রহমান সাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ঢাকা মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার, সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিন্টু।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘মটর পার্টস ব্যবসা দেশে অটোমোবাইল প্রযুক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর ধোলাইখালসহ বেশকিছু এলাকায় দেশিয় প্রযুক্তিতে মটর পার্টস তৈরি হচ্ছে।’ তিনি দেশেই গুণগতমানের স্পেয়ার পার্টস তৈরির জন্য বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।

আমু বলেন, ‘দেশে স্পেয়ার পার্টস শিল্প বিকাশের মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব।’ আমদানি বিকল্প এ শিল্পখাতে বিনিয়োগে এগিয়ে এলে সরকার পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতি সহায়তা দেয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘যারা বাজেটের বিরোধিতা করছেন, কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে বাজেট বাস্তবায়ন করে তাদের সমালোচনার জবাব দেয়া হবে।’

মন্ত্রী ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে মটর পার্টস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মটর পার্টস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ঢাকা মহানগর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালনায় ২শ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এ রক্ত বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্লাড ব্যাংকে জমা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড দেশে সরকারি খাতের একমাত্র এবং দেশের বৃহত্তম গাড়ি সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি যন্ত্রাংশের ভিত্তিতে গাড়ি সংযোজন করে, যা স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করা হয়।

১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের অধিক প্রাইভেট কার, জিপ, বাস, ট্রাক, পিকআপ, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রাক্টর সংযোজন করেছে।






মন্তব্য চালু নেই