মেইন ম্যেনু

দুর্দান্ত সাইকেল স্টান্ট (ভিডিও)

বর্তমান সময় হলো বিশ্বায়নের যুগ। আর এই সময়ে এক দেশের বোল সহজেই হয়ে যাচ্ছে অন্য দেশের বুলি। যেমন ধরুন ভিয়েতনামের কথাই। দীর্ঘসময় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে যখন তারা মুক্ত হলো তখন ভিয়েতনামের অবকাঠামো বলতে কিছু নেই। পুরো হ্যানয় শহর খুঁজেও পাঁচটির বেশি বাস পাওয়া যায়নি, যা দিয়ে মানুষ যাতায়াত করবে। ঠিক সেরকম এক পরিস্থিতিতে হ্যানয়ের (ভিয়েতনামের রাজধানী) তরুন সম্প্রদায় নিজেদের হাতের কাছের যন্ত্রাংশ দিয়ে সাইকেল তৈরি করে যাতায়াত করতে শুরু করে। পরবর্তীতে হ্যানয়ের সরকার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাইকেল উৎপাদন শুরু করে। আর একটা সময় গোটা ভিয়েতনাম জুরেই দেখা যায় শুধু সাইকেল আর সাইকেল। ভিয়েতনাম পেট্রোলের খরচ বাঁচাতে সাইকেলের প্রচলন করলেও বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশই পরিবেশবান্ধব সাইকেলকে গ্রহন করছে পছন্দের বাহন হিসেবে।

তবে কথায় আছে প্যাশন যেখানে, ফ্যাশনও সেখানে। সাইকেলের এই জোয়ার থেকে দূরে থাকেনি এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ। গত তিন বছর ধরে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলাশহরগুলোতে যেমন বেড়েছে সাইকেল আরোহীর সংখ্যা তেমনি গড়ে উঠেছে সাইকেলকে কেন্দ্র করে অনেক ছোটো খাটো প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও সাইকেল রেস এবং সাইকেল স্টান্ট প্রতিযোগিতাও হচ্ছে কোথাও কোথাও। তবে সরকারি পর্যায়ে কোনো পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় সাধারণ জনগণের মধ্যে এখনও সাইকেল ব্যাপক হারে প্রচলিত হয়নি।

সম্প্রতি ঢাকাসহ কয়েকটি স্থানে কিছু তরুনের উদ্যোগে সাইকেল স্টান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এরমধ্যে রাজশাহী বিভাগের কিছু তরুন নিজেদের উদ্যোগে সাইকেল স্টান্টের একটি দুর্দান্ত ভিডিওচিত্র তৈরি করেছে। যেখানে একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, শহরের সাধারণ মানুষ সাইকেল স্টান্টকে অনেকটাই স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছে এবং তাদের সাড়াও আশানুরুপ।  তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এতোদিন সাইকেল বা বাইক স্টান্ট মানেই সাধারণ মানুষের মানসপটে উঠে আসতো হলিউডের কোনো চলচ্চিত্রের অংশ। কিন্তু হলিউডের দক্ষ স্টান্টম্যানদের সঙ্গে পাল্লা দিয়েও যে বাংলাদেশি তরুনেরা স্টান্ট করতে পারে তার প্রমাণ তো রাজশাহীর তরুনদের বানানো এই ভিডিওচিত্র। আসুন পাঠক, মাত্র সাড়ে পাঁচ মিনিট ব্যয় করে দেখে নেই দুর্দান্ত সাইকেল স্টান্ট।

 






মন্তব্য চালু নেই