মেইন ম্যেনু

দিনাজপুর-ফুলবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কটি সংকুতি হয়ে যাচ্ছে ॥ ঘটছে দুর্ঘটনা

দিনাজপুর-ফুলবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কটি পূর্বের থেকে সংকুতি হয়ে যাচ্ছে । এতে করে যানযট ও সড়ক দুর্ঘটনার আশংখা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বৃহত্তর দিনাজপুর ও রংপুর জেলাসহ কয়েকটি জেলার যানবাহন চলাচলের এই মহাসড়কটি মেরামতের জন্য কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে গত ১ মাস থেকে। কিন্তু কার্পেটিংয়ের কাজে দেখা যাচ্ছে ঠিকাদারী কর্তৃপক্ষ রাস্তাটির দু’দিকে ২ ফুট থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত বাদ দিয়ে কার্পেটিংয়ের কাজ করছে। ফলে রাস্তাটি পুর্বের তুলনায় ৪ ফুট থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত সরু হয়ে গেছে, এতে এই রাস্তায় বর্তমানের তুলনায় সড়ক দুর্ঘটনা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

দিনাজপুর হতে গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার এই রাস্তাটি দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ-পূর্ব এলাকা ফুলবাড়ী, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট উপজেলা হয়ে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরে গিয়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে সংযুক্ত হয়েছে। ফলে এই সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়ক হলেও এই সড়ক দিয়ে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাও, দিনাজপুর জেলা হতে দুর পাল্লার যানবহন রাজধানী শহর ঢাকা ও বিভাগীয় শহর চট্ট্রগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট ও বগুড়া শহরে যাতায়াত করে থাকে। যার কারণে এই আঞ্চলিক মহাসড়কটি সর্বদায় যানবহনে পরিপুর্ন থাকে। এ কারণে সড়কটিতে রহরহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে। এই অবস্থার পরেও বর্তমানে রাস্তাটিতে কার্পেটিংয়ের কাজে রাস্তাটির দু’দিকে ২ ফুট থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত বাদ দিয়ে কার্পেটিং করায় রাস্তাটি পুর্বের তুলনায় ৪ থেকে ৮ ফুট সরু হয়ে যাওয়ায় এই রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছেন এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয় বাসীন্দারা।

এই বিষয়ে দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, এই রাস্তাটি আঞ্চলিক মহাসড়ক তাই আঞ্চলিক মহাসড়কের মাপে কাজ হচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন।

ফুলবাড়ী পৌর মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, বর্তমানে প্রতিটি উন্নয়ন মুলক কাজ সম্প্রসারণ হলেও এই কাজটি কেন উন্নয়নের মাধ্যমে সংকোচন করা হচ্ছে। তা আমার বোধগম্য নয়।

ফুলকাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি বলেন, রাস্তা চওড়া করার পরিবর্তে কেন রাস্তা চিকন করা হচ্ছে এই প্রশ্ন আমারও।

রাস্তাটি শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়ায় এই রাস্তা দিয়ে শুধু দূর পাল্লার যানবহনে চলে না, বরং এই রাস্তাটি দিয়ে একই সাথে রিক্সা-ভ্যান পথচারী ও স্কুল কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী চলাচল করে থাকে। এই রাস্তাটি সরু হওয়ায় চলাচল করার অনুপুযোগী হয়ে যাচ্ছে। এই কারণে এই রাস্তায় চলাচলকারী যানবহনের মালিক, শ্রমিকসহ স্থানীয় বাসীন্দারা রাস্তাটিকে সম্প্রসারন করার জোর দাবী জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই