মেইন ম্যেনু

তিন বছর বয়সী তালেবান যোদ্ধা

যুদ্ধক্ষেত্রে শিশুযোদ্ধার ব্যবহারের ঘটনা আফ্রিকায় খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এশিয়ায় শিশুযোদ্ধার ব্যবহার সেই বললেই চলে। আফগানিস্তান কিংবা ইরাকের ভয়াবহ যুদ্ধের সময়ও ব্যবহৃত হয়নি শিশুযোদ্ধাদের। কিন্তু সম্প্রতি আফগানিস্তানে মার্কিন বিরোধী যুদ্ধে শিশুযোদ্ধার ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে আফগান তালেবান বাহিনী মার্কিন বিরোধী লড়াইয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ায় শিশুদের যোদ্ধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি তিন বছর বয়সী এক তালেবান যোদ্ধার ছবি প্রকাশ করেছে। যেখানে ওই শিশুটি বলছে, ‘আমি মানুষ হত্যা করতে চাই’। তবে এখানে উল্লেখ্য যে, এখন পর্যন্ত বিবিসি ছাড়া অন্য কোনো গণমাধ্যম তালেবানদের শিশুযোদ্ধা ব্যবহারের কোনো সংবাদ প্রকাশ করেনি।

এদিকে আফগানিস্তানের তালেবান যোদ্ধারা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু ঠিক কিভাবে তাদের কাছে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র এসে পৌছেছে তা জানা যায়নি। উল্লেখ্য, বিশ্বে অস্ত্র বিক্রি করে এমন দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স অন্যতম।

বিবিসি’র এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায়, ‘বর্তমানে আফগানিস্তানের সবচেয়ে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় আছে তালেবান গর্ভনর মাওলায়ি বদরি’র নাম। তিনি সম্প্রতি এক বক্তব্যে জানান, ‘এই মানুষগুলো মুসলিম এবং তারা একটি ইসলামিক রাষ্ট্র চায়। পশ্চিমারা এখানে কোনো ইসলামিক রাষ্ট্র চায় না।’

তালোবান গোষ্ঠি ইতোমধ্যেই আফগানিস্তানের কিছু অঞ্চলে নিজেদের শাসন পদ্ধতির আদলে শাসন কাঠামো তৈরি করেছে। তালেবানদের দেয়া আফগানিস্তানের নাম হলো ‘ইসলামিক এমিরেটস অব আফগানিস্তান’।

তালেবান যোদ্ধা

 






মন্তব্য চালু নেই