মেইন ম্যেনু

জিসানকে পুলিশী নির্যাতন, যত দোষ মিডিয়ার!

ধানমণ্ডি গভ. ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের মেধাবী ছাত্র আয়াজকে হত্যার ঘটনা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত বলে জানিয়েছেন মহানগর গোয়ন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম। এ বিষয়ে তারা তথ্য প্রমাণও পেয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় আটক সিটি কলেজের ছাত্র জিসানের ওপর পুলিশী নির্যাতনের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদের নামে জিসানের ওপর নির্মম নির্যাতনের কথা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের একদিন পরই নিজেদের অবস্থানের কথা জানাতে শুক্রবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি দৈনিক পত্রিকা বিশেষ উদ্দেশ্যে জিসানের ওপর নির্যাতনের মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছে এবং অন্যরা তা অনুসরণ করছে। তার ওপর যে ধরনের নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আয়াজকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তদন্তেও তা বেরিয়ে এসেছে। খুনীরা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি বায়তুল মোকারমের ফিরোজ উদ্দিন নামে এক দোকানদারের কাছ থেকে কেনে। দোকান মালিক ফিরোজও জিসান ও তৌহিদুলকে সনাক্ত করেছেন।’

জিসানের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে যুগ্ম-কমিশনার বলেন, ‘এটি একটি তদন্তানাধনী বিষয়। এ ধরনের বক্তব্য তদন্ত কর্মকর্তাকে মানসিক চাপে ফেলতে পারে।’

গত ৯ জুন ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সিটি করেজের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হন আয়াজ। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ইনজামুল ইসলাম জিসান (২০) ও তৌহিদুল হাসানসহ (১৭) ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর শুরু হয় দফায় দফায় রিমান্ড ও ‘নির্যাতন’। এতে জিসানের বাঁ পা এতটাই ক্ষতবিক্ষত হয়েছে যে, সম্ভবত তিনি আর কখনোই হাঁটতে পারবেন না। জিসান এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন।






মন্তব্য চালু নেই