মেইন ম্যেনু

জার্নি যদি দীর্ঘ হয় তাহলে মেনে চলুন এই নিয়ম গুলো

লং জার্নিতে অসুস্থ বোধ করেন? বাসে, গাড়ি, লঞ্চ ইত্যাদি বাহনে দীর্ঘ সময় যাত্রা করতে হলে অনেকেই ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বমি বমি ভাব হয়, মাথা ঘোরায়, কারো বুক ধড়ফড় করে, ক্লান লাগে, কেউ আবার বমি করেও ফেলেন। সব মিলিয়ে অত্যন্ত বাজে একটা অবস্থা। বিশেষ করে এই গরমের দিনে অবস্থা আরও গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণ কাজে রাস্তায় বের হলেও শরীর খারাপ লাগে। জেনে নিন এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাবার কিছু উপায়।

বমি বমি ভাবের কারণে অনেকেই খালি পেটে যাত্রা শুরু করেন, যা একেবারেই অনুচিত। খালি পেটে যাত্রা বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও দুর্বলতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। অবশ্যই কিছু একটা খেয়ে যাত্রা শুরু করুন। তবে সেটা যেন হালকা কোন খাবার হয়। কোন গুরুপাক খাবার খাবেন না।

সাথে এক বোতল পানি রাখুন। একটু পর পর সামান্য এক ঢোক পানি পান করুন। এটা আপনার মনযোগ সরিয়ে রাখবে ও ভালো অনুভব করতে সহায়তা করবে।

সবচাইতে সেরা উপায় হচ্ছে ঘুমিয়ে যাওয়া। ঘুমিয়ে গেলে আপনার সময়টা দ্রুত কেটে যাবে এবং অসুস্থতা বোধ করবেন না।

কেন এমন হয়, তাঁর কারণটা খুঁজে বের করুন। অনেকের যেমন বেশী ঝাঁকুনি হলে খারাপ লাগে। অনেকের আবার পেছনের সিটে বসলে অসুস্থ বোধ করেন। অনেকের সমস্যা হয় বদ্ধ পরিবেশে। অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণটা বোঝার চেষ্টা করুন এবং সেটা দূর করুন। অনেকটাই ভালো বোধ করবেন।

লেমন বা অরেঞ্জ ফ্লেভারের ছোট ছোট লজেন্স রাখতে পারেন সাথে। তেঁতুলের আচারও মন্দ নয়। খারাপ লাগলেই একটু মুখে দেবেন, ভালো লাগবে।

বিশুদ্ধ বাতাসে থাকুন। বাস কিংবা গাড়িতে হলে জানালা খুলে দিন। লঞ্চে হলে ডেকে ঘোরাঘুরি করুন। তাজা অক্সিজেন আপনার শরীর খারাপ হতে দেবে না।

শুকনো আদা কুচি রাখতে পারেন সাথে। এটা খুবই কার্যকরী ট্র্যাভেল সিকনেস দূর করতে। এছাড়াও ক্যান্ডি করা আদা, এলাচ , দারুচিনি, লবঙ্গ ইত্যাদিও মুখে ফেলে রাখতে পারেন।

শেষ অপশন হিসাবে ওষুধ তো রয়েছি। ফার্মেসীতে গেলেই ট্র্যাভেল সিকনেস দূর করার কিছু ওষুধ পাবেন। আমাদের দেশে যেমন এভোমিন বেশ জনপ্রিয়। তবে এক সাথে একটির বেশী ওষুধ খাবেন না, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই