মেইন ম্যেনু

চেয়ারে বসে নামাজ আদায় জায়েয নেই

চেয়ারে বসে নামাজ আদায়ের কোনো বৈধতা নেই বলে ফতোয়া দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। রোববার বিকেলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানার কান্দালিয়া গ্রামের সারোয়ার হোসাইনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গবেষণা বিভাগের এ ফতোয়া দেন। ইফার গবেষণা বিভাগের মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর স্বাক্ষরিত দুই পৃষ্ঠার মন্তব্যে ১২টি বিষয় তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন হাদিসের ১১টি তথ্য সুত্র দেন।

পীড়িত অবস্থা ও চেয়ারে বসে নামাজ আদায় প্রসঙ্গে ইফা গবেষণায় বলা হয়, অসুস্থ বা ওযর অবস্থায় নামাজ আদায়ের শরিয়তসম্মত বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত বিধি-বিধান বিভিন্ন বইয়ে যা পাওয়া যায়, তাতে তিনটি অবস্থানের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- দাঁড়িয়ে, বসে এবং শায়িত অবস্থায়।

অর্থাৎ দাঁড়িয়ে ইশারার দ্বারা রুকু-সিজদা আদায়ের মাধ্যমে করা যাবে। আর বসা অবস্থায় যথা নিয়মে সিজদা এবং বুকে রুকু আদায়ের মাধ্যমে। নিয়মে সিজদা সম্ভব না হলেও ইশারার মাধ্যমে করা যাবে। আর বসার ক্ষেত্রে আত্তাহিয়্যাতুর সুরতে বসতে হবে বেশি কষ্ট হলে আসন গেঁড়ে বসে অথবা যে-ভাবে বসতে কষ্ট কম হয় সেভাবেই বসে নামাজ আদায় করা যাবে। আর শায়িত অবস্থায় চিত হয়ে পাঁ গুটিয়ে হাটু উচু করে, মাথা ও মুখমণ্ডল যথা সম্ভব কিবলামুখি করে ইশারার দ্বারা নামাজ আদায় করা যাবে। অথবা ডানকাত বা বামকাত শায়িত অবস্থায় কিবলামুখী করে নামাজ আদায় করা যাবে। এসব অবস্থায় মধ্যে সবগুলোই অবস্থাভেদে অসুস্থ ব্যক্তির গ্রহণ করা জায়েয। তবে কোনোটি উত্তম, কোনোটি বেশী উত্তম। কিন্তু চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করার বিষয়টি বা প্রক্রিয়া বা বৈধতা বা ‘বিকল্প পন্থা’ হওয়ার কথা রাসুল (সা.) এর যুগে, সাহাবাদের যুগ থেকে শুরু করে গবেষক ইমামদের যুগ পেরিয়ে হিজরি পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত লিখিত বা রচিত কোনো কিতাবে যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি প্রামাণ্য তিন যুগ বা তার পরের কোনো যুগে বা শতাব্দীতে সাহাবি, তাবেয়ি আলেম, ওলি কারও গ্রন্থাদিতে বা পরস্পর আচরিত রীতিতে তার কোনো নজির-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফতোয়ায় বলা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই