মেইন ম্যেনু

১৪ বছর পর সফর

খালেদার আগমনে ব্যাপক সাড়া, নির্ঘুম রাত

১৪ বছর পর নীলফামারী সফরে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, ২০ দলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগামী ২৩ অক্টোবর নীলফামারী হাইস্কুল মাঠে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় তিনি বক্তব্য দেবেন।

এক যুগের বেশি সময় পর ম্যাডামের নীলফামারী সফর ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। চারদিকে সাজ সাজ রব।

নেতাকর্মীদের পদভারে মুখর হয়ে উঠেছে পৌর মার্কেটের পাশে জেলা বিএনপি কার্যালয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় চলছে আলোচনা সভা।

এদিকে, দলীয় প্রধানের সফরকে ঘিরে জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে জিইয়ে থাকা দীর্ঘদিনের বিরোধ আর তিক্ততা ম্লান হতে শুরু করেছে। দলীয় কার্যালয়ে হাতে হাত মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিতে উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে সাধারণ নেতাকর্মীরা। প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে দলীয় কার্যালয়ে।

সূত্রমতে, বছরের পর বছর দল থেকে দূরে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে পা রাখছেন। নানান পরামর্শ দিচ্ছেন। শহরে প্রতিদিন খণ্ড খণ্ড মিছিল মিটিং সমাবেশ হচ্ছে। ইতোমধ্যে নীলফামারী ঘুরে গেছেন সিনিয়র অনেক নেতা। তারা চেয়ারপারসনের জনসভা সফল করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেদ।

কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনায় দলীয় প্রধানের জনসভা সফল করতে জেলা বিএনপির প্রথম সারির নেতাকর্মীরা এখন কাটাচ্ছেন নির্ঘুম রাত। বিশেষ করে জনসভায় পাঁচ লক্ষাধিক লোক সমাগম করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা। এজন্য উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কমিটির নেতাকর্মীদের রাখা হয়েছে ব্যাপক চাপের মুখে।

জনসভা সফল করতে গঠন করা হয়েছে বিভিন্ন উপ-কমিটি। শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। নীলফামারী ছাড়াও জনসভায় যোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়সহ রংপুর বিভাগের আট জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুজ্জামান জামান জানান, দলীয় প্রধানের সভায় স্মরণকালের জনসমাবেশ ঘটানো হবে। ম্যাডামের দিক নির্দেশনায় ব্যাপক উৎসাহী হয়ে উঠেছে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিরোধ আর দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে জনসভা সফল করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে তৃণমুল নেতাকর্মীরা। চেয়ারপারসন নীলফামারী হাইস্কুল মাঠের এ জনসভা থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ডাক দেবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছে ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আনিছুল আরেফিন চৌধুরী ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম জনসভা শতভাগ সফল হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নেতা-কর্মীরা সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।

জেলা বিএনপি অন্যতম নেতা জহুরুল আলম, মীর সেলীম ফারুক মোস্তফা হক প্রধান বাচ্চুসহ সিনিয়র নেতারা জানান, দলীয় চেয়ারপারসনের জনসভা নিয়ে শুধু নীলফামারীই নয় গোটা উত্তরাঞ্চলেই পড়ে গেছে সাড়া।






মন্তব্য চালু নেই