মেইন ম্যেনু

কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় সলমনকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় সলমন খানকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট।এই মামলায় সলমনকে ২০০৬ সালে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের কারাবাসের সাজা ঘোষণা করে নিম্ন আদালত।কিন্তু তার ওপর স্থগিতাদেশ দেয় রাজস্থান হাইকোর্ট। সেই স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে রাজস্থান সরকারের তরফে।সেই আবেদনের শুনানির সময় আজ সলমনকে নোটিস জারি করে বিচারপতি এস জে মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ।চার সপ্তাহের মধ্যে সলমনকে তাঁর বক্তব্য জানাতে বলেছে বেঞ্চ।

এদেশের আইনে কৃষ্ণসার হরিণ সংরক্ষিত প্রাণীর তালিকাভুক্ত এবং তা শিকার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।১৯৯৮-এর ২৬-২৭ সেপ্টেম্বর ও ২৮-২৯ সেপ্টেম্বরের মাঝের রাতে যথাক্রমে ভাওয়াদে দুটি চিঙ্কারা ও মাথানিয়ার ঘোড়া ফার্মে একটি কৃষ্ণসার শিকারের পৃথক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন সলমন।তাঁর এক বছর ও ৫ বছরের জেল হয়। ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে যোধপুরের কাছে পশুহত্যার দায়ে তাঁর সঙ্গেই অভিযুক্ত হয়েছিলেন সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রে, তব্বু, নীলমও।

সলমন নিম্ন আদালতের সাজার রায়কে চ্যালেঞ্জ জানান রাজস্থান হাইকোর্টে।গত বছরের ১২ নভেম্বর রাজস্থান হাইকোর্ট তাঁর আর্জি মেনে সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দেয় এর ফলে সলমনের ব্রিটিশ ভিসার আবেদন জানানোর পথ সুগম হয়।ব্রিটেনের অভিবাসন আইন অনুসারে চার বছরের বেশি কারাবাসের সাজা হয়েছে, এমন কোনও ব্যক্তি ভিসা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয় না।সাজাপ্রাপ্ত ভারতীয়দের পাসপোর্টে ‘অপরাধী’ ছাপ মেরে দেওয়া হয়।। সলমনের যেহেতু ৫ বছরের কারবাসের সাজা হয়েছিল, তাঁকে ভিসা দেয়নি ব্রিটিশ দূতাবাস।হাইকোর্ট সাজা স্থগিত রাখায় সলমনের ভিসা পাওয়ার বাধা কেটে যায়

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজস্থান সরকার।






মন্তব্য চালু নেই