মেইন ম্যেনু

কাদের খান জাতীয় পার্টির কেউ নন

সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘এমপি মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যামামলায় পরিকল্পনাকারী ও অর্থায়নকারী হিসেবে গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ডে থাকা সাবেক এমপি কাদের খান জাতীয় পার্টির কেউ নন।’

জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘তিন বছর আগে তার সঙ্গে জাতীয় পার্টির সকল সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। জাতীয় পার্টি এর দায় নিবে না। এটা আইনের ব্যাপার। তদন্তের মাধ্যমে যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।’

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর পর্যটন মোটেলে জাপার ১৪ জেলার সভাপতি সেক্রেটারীদের যৌথ সভায় সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওললাদার, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, জেলা সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, সহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা সেক্রেটারি সাবেক এমপি আসিফ শাহরিয়ার, মহানগর সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শাফিউল ইসলাম শাফী প্রমুখ।

লিটন হত্যা মামলায় কাদের খানকে মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া শহরের রহমাননগরের মোহাম্মদ আলী হাসাপাতালের পাশে গরীব শাহ ক্লিনিকের তৃতীয় তলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের আগে ছয় দিন তাঁকে নজরবন্দি রাখা হয়েছিল। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুন্দরগঞ্জের ছাপারহাটিতে।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাপা প্রার্থী হিসেবে গাইবান্ধা-১ আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাদের খান। এই আসনের সর্বশেষ সাংসদ মনজুরুল ইসলাম গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হলে আসনটি শূন্য হয়।

আগামী ২২ মার্চ এই আসনে অনুষ্ঠেয় উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে কাদের খান মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। কিন্তু এর আগের দিন নজরবন্দি কাদের খান মনোনয়নপত্র দাখিল না করার ঘোষণা দেন।






মন্তব্য চালু নেই