মেইন ম্যেনু

কবর থেকে নাতনিকে দাদীর ফোন!

মাঝরাতে হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো। রিসিফ করেই ধক করে উঠলো বুক। এ কার কণ্ঠ! এতো অনেক আগে মরে গেছে। তাহলে এই ভার্চুয়াল জগতে এখন প্রেতাত্মারাও ঘোরাফেরা করে নাকি! এতো হরর সিনেমার গল্প!!

সম্প্রতি লন্ডনে এমনি এক ভৌতিক ঘটনা ঘটেছে। বছর বাইশের তরুণী শেরি এমারসন এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। মোবাইল ফোনে বছর তিনেক আগে মৃত দাদীর এসএমএস পেয়ে রক্ত হিম হয়ে গিয়েছিল তার।

২০১১ সালে মারা যান শেরির দাদী লেসলি এমারসনের (৫৯)। সমাধিস্থ করার সময় কফিনে দেয়া হয় তার প্রিয় কয়েকটি জিনিস। যার মধ্যে ছিল লেসলির সাধের মোবাইল ফোনটিও।

আদরের নাতনি শেরি দাদী হারানোর পর সেই নম্বরে মাঝে মধ্যেই মেসেজ পাঠাতেন। এভাবে মেসেজ পাঠিয়ে নাকি নিজেকে দাদীর কাছকাছি বোধ হয় তার।

কিন্তু একদিন সকালে ইনবক্স চেক করে ভয়ে রক্ত হিম হয়ে যায় শেরির। তার মেসেজের উত্তর দিয়েছেন দাদী। লিখেছেন, তিনি শেরির ওপর নজর রাখছেন। ভয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন শেরি। ভূতের বিশ্বাস না করে, তখন বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন শেরির চাচা। ওই নম্বরে আবার ফোন করেন তিনি।

শেষে জানা যায়, ওই ফোন নম্বরটি যিনি ব্যবহার করছিলেন, তার মৃত্যু হয়েছে জেনে, সেই নম্বর অন্য এক গ্রাহককে দেয় অপারেটর কোম্পানি। যে ব্যক্তি ওই নম্বরটি ব্যবহার করছিলেন, তিনি মাঝেমধ্যেই অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ পেয়ে শেষে একদিন মজা করে উত্তর দেন। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। পরে অবশ্য ওই ব্যক্তি এবং অপারেটর কোম্পানি উভয়েই শেরির কাছে ক্ষমা চেয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই