মেইন ম্যেনু

এতিম ছাত্রকে লোহার শিকল দিয়ে বেধে পিটিয়েছে শিক্ষক : থানায় অভিযোগ দায়ের

লোহার শিকল দিয়ে বেধে মধ্যযুগীয় কায়ায় পিটিয়ে আহত করেছে হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার এক ছাত্রকে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার ভোর ৫ টার সময় সাতক্ষীরা সদর থানার মাছখোলাস্থ একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়।

ঐ মাদ্রাসার এতিম ছাত্র মোঃ শামিম হোসেন (৯) কে সূরা বনি ইসরাঈল মুখস্থ তেলওয়াত করতে বলেন একই থানার পলাশপোলস্থ একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার হুজুর মোঃ ইব্রাহীম হোসেন। শামিম মুখস্থ বলতে পারেনি। কারন সে ৩ পারার হাফেজ। ১৫ পারার সূরা বণি ইসরাঈল তার মুখস্থ হয়নি জানালে হুজুর ইব্রাহীম হোসেন ক্ষীপ্ত হয়ে উঠে এবং তার মা বাবার পরিচয় জানতে চায়। শামিম তার মা বাবার পরিচয় ঠিকমত না দিতে পারাার কারনে উত্তেজিত হয়ে এতিম খানার অপর এক ছাত্র ইব্রাহিম হোসেনের সহযোগীতা নিয়ে শামিমকে লোহার শিকল দিয়ে বেধে ফেলে। এবং তার উপর লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ী পিটাতে থাকে। এতে শামিম মারত্মক ভাবে আহত হয়। তার চিৎকার চেচামেচিতে মাদ্রাসার অন্যন্য ছাত্র ও শিক্ষক এসে তাদের রোসণল থেকে উদ্ধার করে । কোন হাসপাতালে ভর্তি না করে সেখানেই হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়। শনিবার সকালে সদর থানার বাগান বড়িস্থ শামিমের নানীর বাড়িতে পৌছে দেয়।

শামিমের নানী রেহেনা বেগম জানান, আমরা তার অবস্থা খারাপ দেখে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি । থানার ডিউটি অফিসার এ,এস,আই সোহরাব হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি জানান থানার এস,আই মোজাফ্ফর হোসেন সাহেবের নিকট অভিযোগ পত্রটি জমা আছে। এ ব্যাপারে আমি বিস্তারিত জানিনা। তিনি এস,আই মোজাফ্ফর হোসেন এর সাথে কথা বলার পরার্মশ দেন। এস,আই মোজাফ্ফর হোসেন এর ০১৯১১-৭১৩৮৭০ নং মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এখন আমি ব্যাস্ত আছি । এক ঘন্টা পরে ফোন করুন ।

একটি সূত্র জানিয়েছে, স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র/ছাত্রীদের শরীরের কোন প্রকার আঘাত করা যাবে না মর্মে আইন থাকলে ঐ মাদ্রাসায় এ আইন মানা হয় না ।

ঘটনাটি এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।






মন্তব্য চালু নেই