মেইন ম্যেনু

উইন্ডোজের জন্য এ বছরের সেরা অ্যাপের তালিকা

বহু আলোচনা ও প্রতীক্ষার পর বেশ কিছু দিন আগেই এসেছে উইন্ডোজ ১০। বেশ দ্রুতগতির, স্থিতিশিল এবং উপভোগ্য উইন্ডোজ হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এটি।

কয়েকটি আপডেটের মাধ্যমে সমস্যা মেটানোরও চেষ্টা করা হয়েছে। এ বছরে মাইক্রোসফটের সবেচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল নতুন এই উইন্ডোজ। এই অপারেটিং সিস্টেমকে আরো উপভোগ্য করতে দারুণ কিছু অ্যাপ রয়েছে। এখানে বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেছেন এমনই কিছু অ্যাপের কথা। এগুলোকে উইন্ডোজের এ বছরের সেরা অ্যাপ বলা যায় অনায়াসে।

১. ওয়াননোট: নোট নেওয়ার জন্য যদি কোনো অ্যাপের সন্ধান করে থাকেন, তবে মাইক্রোসফটের ওয়াননোট চমৎকার বাছাই হবে। আপনার যা যা দরকার তার সবই মিলবে এতে। বিভিন্ন ধরনের নোট গুছিয়ে রাখতে এর অপশনগুলো একেবারে মনের মতো। স্কুলের কাজ থেকে শুরু করে কোনো প্রজেক্টের কাজও এতে করা সম্ভব। নোটে টাইপিং, ইমেজ, অ্যানোনেশন, টেবিল, ড্রয়িং এবং বিভিন্ন ব্রাউজার থেকে তথ্য-উপাত্ত সংযুক্ত করার সুবিধা রয়েছে। এ বছরই বেশ কিছু আপডেট এসেছে অ্যাপটিতে। এর মাধ্যমে এখন অ্যাপে সরাসরি নোট ই-মেইল করা যাবে বা মাইক্রোসফট অফিসের সঙ্গে একে নিয়ে কাজ করা যাবে। এমন আরো কিছু আকর্ষণীয় আপডেট এসেছে নোটে।

২. ব্লিস্ক: এটি একটি ব্রাউজার। মূলত ডেভেলপারদের বানানো ওয়েব প্রজেক্টের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এটি বানানো হয়েছে। বেশ কয়েক ধরনের মোবাইলে কাজ করে ব্রাউজারটি। স্ক্রিনশট এবং স্ক্রিন রেকর্ডিং ফাংশনালিটি নিয়ে এসেছে অ্যাপটি। সোর্স কোড আপডেটের সময় অটো-রিফ্রেশ হবে পেজগুলো। ক্রোমের সঙ্গে কাস্টম সেটআপের মাধ্যমে এতে কাজ করারও সুযোগ রয়েছে।

৩. ভেক্টর: অ্যাপ বা সাইট তৈরিতে যখন গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে করবেন, তখন ভেক্টর গ্রাফিক্স না হলেই নয়। যেকোনো মাধ্যমে এটি কাজ করতে পারে। এ ধরনের কাজের জন্য ভেক্টর একটি অনন্য মাধ্যম। এমন আরো অনেক অ্যাপ রয়েছে বাজারে। কিন্তু ভেক্টরের তার টুলগুলো ব্যবহার করতে খরচ লাগে না। তা ছাড়া ক্রমাগত উন্নয়ন ঘটানো হচ্ছে এর।

৪. কোডি: মুভি, মিউজিক এবং শো স্টরেজে পেতে চান? কোডি সেই ব্যবস্থাই করেছে। যেকোনো কম্পিউটারকে এটি কানেক্টেড মিডিয়া সেন্টারে পরিণত করে এবং হোম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যেকোনো হার্ড ড্রাইভ থেকে এসব চালানো যায়। কোডি আপনার ফটো, লাইভ টিভি এংব অনলাইন চ্যানেল থেকে বিভিন্ন উপকরণকে তালিকাভুক্ত করে।

৫. ফ্রাঞ্জ: সব জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলোকে এক স্থানে আনে ফ্রাঞ্জ। হোয়াসঅ্যাপ, উইচ্যাট, হ্যাংআউটস, টেলিগ্রাম, স্কাইপে, স্ল্যাক এবং আরো অনেক অ্যাপ একই স্থানে মিলবে এর মাধ্যমে। যতগুলো ইচ্ছা সেবা এতে যোগ করতে পারবেন। একটি স্ক্রিনেই আপনি সবগুলো মেসেজ পেয়ে যাবেন ফ্রাঞ্জের সহায়তায়।

৬. ফোর্জ: গেমারদের অতি জনপ্রিয় টুল। যারা গেমিং স্ট্রিম করতে চান তাদের জন্য ফোর্জ এক অনন্য সেবা। এর মাধ্যমে ভিডিও বা জিআইএফ ধারণ করা যায়। এতে স্টিকার, টেক্সট, অডিও বা ক্লিপও যোগ করা যায়। গেমিংয়ের যেকোনো মুহূর্ত বুকমার্ক করা যায় যেন আপনার অর্জন সহজেই দেখানো সম্ভব হয়। একবার ক্লিপ প্রস্তুত করে ফেললে তা ফোর্জ কমিউনিটিতে আপলোড করতে পারবেন। কম্পিউটারের যেকোনো স্পেসিফিকেশনে এটি সহজে কাজ করে এবং সেটআপ প্রক্রিয়া অনেক সহজ।

৭. ইন্সটাগ্রাম: এর জনপ্রিয়তার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। ফেসবুকে এই অ্যাপটি উইন্ডোজের সেরা অ্যাপগুলোর একটি। যদি জীবনের সেরা সব ছবি সোশাল প্লাটফর্মে প্রকাশ করতে চান তবে ইন্সটাগ্রাম সেরা। জীবনের যেকোনো ঘটনা বা মুহূর্তের ছবিকে ধরে রাখতে এর চেয়ে ভালো ডিজিটাল প্লাটফর্ম আর হয় না।

৮. সিমপ্লিনোট: এ বছরের প্রথম দিকে ক্রস-প্লাটফর্ম এডিটের হিসাবে আসে সিমপ্লিনোট। এর ইন্টারফেসের এক পাশে রয়েছে নোটের একটি তালিকা এবং অন্য পাশে এডিটিন প্যান। লেখালেখির যেকোনো কাজকে আনন্দদায়ক করবে এই অ্যাপ। লেখা শেষ হলে তা সরাসরি ওয়েবে প্রকাশ করতে পারবেন একটি ক্লিকের মাধ্যমে। পাশাপাশি যা লিখছেন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ হয়ে যাবে। কাজেই মূল্যবান লেখনী হারানোর ভয় নেই।

৯. পোলার ফটো এডিটর: যদিও খুব বেশি দিন ধরে এটা আসেনি। কিন্তু সবার নজরে পড়েছে। এতে নিয়মিত আপডেট আসছে। দারুণ কাজ করে অ্যাপটি। উইন্ডোজের সেরা অ্যাপের তালিকায় ফেলা যায়। এতে বিভিন্ন ধরনের ফিল্টার পাবেন। বাড়তি কন্ট্রোলারের মাধ্যমে লাইট, ডিটেইল, কালার, কার্ভ এবং টোন ঠিকঠাক করা যাবে। এডিট করা ছবি কপি-পেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো বিভিন্ন ছবিতে প্রয়োগও করার ব্যবস্থা রয়েছে। সূত্র: নেক্সট ওয়েব






মন্তব্য চালু নেই