মেইন ম্যেনু

ইবোলার নতুন ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা প্রমাণিত

প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস প্রতিহত করতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত একটি ভ্যাকসিন ব্যাপক কার্যকরী হয়েছে। ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওই ভ্যাকসিনটি গ্রহণকারীরা ১০ দিনের মধ্যেই ভাইরাসমুক্ত হয়েছেন।

ল্যানসেটে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি খবরটি নিশ্চিত করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলাপ্রবণ দেশ গিনিতে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চালানো হয়। দেশটির প্রায় ৬ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিনটি দেওয়া হয়। ১০ দিন পর দেখা যায় তারা সবাই ভাইরাসমুক্ত ছিলেন। একই সংখ্যক একটি দলকে ভ্যাকসিন ছাড়া রাখা হয়। পরে দেখা যায় তাদের মধ্যে ২৩ জনের ইবোলা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেডিক্যাল গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য ওয়েলকাম ট্রাস্ট-এর পরিচালক জেরেমি ফারার এ ফলাফলকে ‘অসাধারণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, এ ভ্যাকসিন আগে আবিষ্কার করা হলে অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচানো যেত। জেরেমি বলেন, ‘ইবোলার প্রাদুর্বাব চলার সময় যদি এরকম ব্যাকসিন থাকতো তাহলে হয়তো হাজারো জীবন বাঁচানো যেত। ’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পাশাপাশি গিনির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোও কাজ করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেরি-পাওলে কিয়েনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পরবর্তী প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এ ভ্যাকসিন সহায়তা করবে’।
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে প্রথমবারের মতো শনাক্ত হয়েছিল ইবোলা বাইরাস। ২০১৩ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। ওই প্রাদুর্ভাবে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর তাতে ইবোলা প্রতিহত করার মতো একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার জরুরি হয়ে পড়ে।






মন্তব্য চালু নেই