মেইন ম্যেনু

আর্জেন্টিনা বনাম বসনিয়া-হার্জেগভিনা, মেসি জাদুর অপেক্ষায় সারাবিশ্ব

বাংলাদেশের আর্জেন্টিনার কোটি সমর্থকদের সাথে বিশ্বের শত কোটি ফুটবলপ্রেমী দর্শক অধীর আগ্রহে আর্জেন্টিনার মাঠে নামার অপেক্ষায় আছে। ব্রাজিল বিশ্বকাপের ১১ তম ম্যাচে আর্জেন্টিনা এবার বসনিয়া-হার্জেগভিনার মুখোমুখি হবে। ল্যাটিন অ্যামেরিকার দল আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার, সেখানে বসনিয়াকে নিয়ে উচ্ছ্বাস কমই আছে।

কি হবে খেলায়? আওয়ার নিউজ বিডি.কম পাঠকদের জন্য বিশ্লেষণ।

আর্জেন্টিনা:

মেসি অসাধারণ। আগুয়েরো দুরন্ত। ডি মারিয়া কৌশলী। আর্জেন্টিনার অবস্থা এবার রমরমে। যারা বলে আর্জেন্টিনা এবার মেসি নির্ভর দল, তারা ভুল বলেন। আগুয়েরো এবার গোল্ডেন বুট জিততে পারেন। ডি মারিয়া নিজের ফর্মে থাকলে মেসিকে একা দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে না। হিগুয়েন ফাঁক বুঝে গোল দিতে ওস্তাদ। আর এইবার বিশ্বকাপ জিততে তারা বদ্ধপরিকর।

মেসিতো বলেই দিয়েছেন, আর্জেন্টাইন সমর্থকরা অনেক বেশি অপেক্ষা করে ফেলেছে ৮৬ এর পরের বিশ্বকাপের স্বাদ নিতে। প্রস্তুতিটাও ভালভাবে সেরে রেখেছেন তারা। দুই ম্যাচেই জিতেছে। ক্লাবের হয়ে গোল বন্যা ছুটানো মেসি জাতীয় দলের হয়েও গোল পেয়েছেন।

বসনিয়া-হার্জেগভিনা:

প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপেই কোন না কোন দল থাকে, যারা প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ খেলে। এবার বসনিয়া প্রথম বারের মত বিশ্বকাপ খেলছে।

দলটি অবশ্য অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ। ডিফেন্সে দূর্বলতা আছে। তবে স্ট্রাইকিং এ ভেদাদ ইবিসেভিচ এবং ইডেন জেকো যেকোন দলের সাথে গোল করতে সক্ষম। এই দুই খেলোয়াড় ইউরোপ মাতানো পারফরমেন্স দিয়ে এসেছে। প্রস্তুতি ম্যাচেও তারা বসনিয়াকে দুর্দান্ত ফর্মে রেখেছে। মেক্সিকো এবং আইভরি কোস্টের মত দলকে হারিয়ে এসেছে তারা। শেষ বার যখন আর্জেন্টিনার সাথে খেলে, তখন মাত্র দুই গোল খেয়েছিল তারা।

নিজেদের মধ্যে:

নিজেদের মধ্যে দুই বার খেলা হয়েছিল। দুইবারই আর্জেন্টিনা জিতেছে।

সময়:

বাংলাদেশ সময় ১৫ জুন রবিবার দিবাগত রাত চারটায়, অর্থাৎ ক্যালেন্ডারে যখন ১৬ জুন সোমবার হয়ে যাবে, তখন এই দুই দল গ্রুপ এফ এর প্রথম ম্যাচে নিজেদের মুখোমুখি হবে।

সম্ভব্য ফলাফল:

আর্জেন্টিনা তাদের সমর্থকদের আশাহত করবে না। আর এই প্রথমবার খেলতে এসে বসনিয়া আর্জেন্টিনাকে ধরাশয়ী করে ফেলবে, এমন ভবিষ্যৎ বাণী দেওয়া স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন কারও পক্ষে অসম্ভব। তবে বসনিয়া যে একেবারে সহজ প্রতিপক্ষ হবে, এটা বলা যাবে না। আর্জেন্টিনা জিতবে। ২-০ গোলে বা তারও বেশি ব্যবধানে, ৩-০ গোলেও জিততে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে, মেসি গোল দেবে কিনা। হ্যা, মেসি গোল পেতে মরিয়া হয়ে আছে, মেসি এক বা একাধিক গোল পাবে। যদি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা কোনো ধরনের অঘটনের জন্ম দেয় তবে তা হবে বিশ্বকাপের স্মরণকালের রেকর্ড।






মন্তব্য চালু নেই