মেইন ম্যেনু

“আমি দেহবিক্রি করেছি শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন কিনবো বলে”

আর দশটি মেয়ের মতই বাবা-মার সাথে সুখেই ছিল মেয়েটি।বাবার মৃত্যর পর অভাবের সংসারে নিজেদের বেঁচে থাকার প্রয়োজন মেটানোর পর সবটুকু দিয়েই মেয়েটির শখ পূরণের আপ্রাণ চেষ্টা করতো মেয়েটির মা।

কিন্তু বন্ধুদের দামী দামী প্রযুক্তিগত পণ্য হাতে পেয়ে লোভ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে মেয়েটির। মায়ের উপর নানা চাপ প্রয়োগের পরেও স্মার্টফোনের মালিক হতে না পেরে নিজের দেহ নিজেই বিক্রি করে দেয় ১৩ বছরের মেয়েটি!!!

বছরখানেক আগে মায়ের অজান্তে স্বেচ্ছায় দিনের পর দিন বিভিন্ন পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয় সে। সম্প্রতি নিজেকে গর্ভবতী আবিষ্কার করে অবশেষে মায়ের কাছে বিস্তারিত জানায় সে। মায়ের অনেক বোঝানো সত্ত্বেও পতিতাবৃত্তিকে মেয়েটি কোনভাবেই উপার্জনের অবৈধ পথ হিসেবে স্বীকার করেনি।শেষে ব্যর্থ হয়ে মেয়েকে মনোবিদের সহায়তা নিতে বাধ্য হয় মেয়েটির মা।

মেয়ের এহেন আচরণে স্তম্ভিত মায়ের থেকে জানা যায়, বছর বারো আগে নিঃসন্তান তারা এ মেয়েটিকে দত্তক ভদোদরার সুভানপুরা অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন। তিন বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর পারিবারিক আয়ের একমাত্র উৎস মুদির দোকান চালানোর ভার বর্তায় মধ্যবয়সী মহিলার ওপর। এদিকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়তে শুরু করে মেয়ের মেজাজ। এক সময় তাকে আনন্দে মামার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে বেশি দিন সে টেকেনি। আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে পের ভদোদরায় ফিরে আসে সে।

এর পর শহরের স্বচ্ছল পরিবারের কিছু ছেলেমেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। তাদের কাছে স্মার্টফোন দেখে লোভ হয়। অথচ পরিবারের সেই আর্থিক সংস্থান না থাকায় প্রথমে মুষড়ে পড়েছিল কিশোরী। কিছু দিন পর টাকা রোজগারের নয়া রাস্তা খুঁজে পায় সে।আর এর জের ধরেই নিজের অজান্তে ছোট্ট মেয়েটি জড়িয়ে পড়ে পতিতাবৃত্তির মত এ অন্ধকার রাস্তায়।






মন্তব্য চালু নেই