মেইন ম্যেনু

আপনার নাম বা পদবীর প্রথম অক্ষর কি ‘ম’? কী বলছে সংখ্যতত্ত্ব আপানার বিষয়ে?

সংখ্যাতত্ত্ব এমন অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলে, যাদের ব্যাখ্যা যুক্তিশাস্ত্রের ক্ষমতার বাইরে। তাই বলে এই পরাযুক্তিকেও উড়িয়ে দিতে পারেন না লক্ষ লক্ষ মানুষ। মানবিক নাম ও পদবীর অর্থ নিয়ে বিস্তর ভাবনাচিন্তা রয়েছে সংখ্যাতত্ত্বের। বিশেষ করে, নাম ও পদবীর আদ্যক্ষর থেকে ব্যক্তির অতীত-ভবিষ্যৎ-বর্তমানের বহু কিছুই বলা সম্ভব এই শাস্ত্রমতে। তবে, সব অক্ষরকেই সমান গুরুত্ব দেয় না সংখ্যাতত্ত্ব।

কোনও কোনও অক্ষরের প্রতি একটু বেশি নজর দেয় এই শাস্ত্র। যেমন ‘ম’ অক্ষরটিকে নিয়ে বিস্তারিত জানায় নিউমেরোলজি।

কেবল আপনার নাম বা পদবী নয়, আপনার কাছের জনের নাম ও পদবীতে ‘ম’ বা ‘এম’ থাকলেও জেনে নিন, সংখ্যাতত্ত্বের মতামত।

• ইংরেজি ‘এম’ অক্ষরটির সংখ্যাতাত্ত্বিক রূপ হল ৪। এই অক্ষর যাঁদের নাম বা পদবীর গোড়ায় রয়েছে, তাঁরা স্থিতধী মানুষ। তাঁদের আধ্যাত্মিক প্রবণতা বেশি থাকে। সেই সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিত্বও দৃঢ় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

• এই ব্যক্তিরা বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী হয়ে তাকেন। তাঁদের উপরে চোখ বুজে নির্ভর করা যায়। এঁদের বাস্তববোধও যথেষ্ট।

• এই ব্যক্তিরা ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেন। নৈতিক দৃঢ়তা এঁদের বৈশিষ্ট্য।

• যেহেতু এঁদের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকে, সেহেতু এঁরা সাধারণত কেরিয়ারের ক্ষেত্রে সফল হন। এঁরা কাজের ব্যাপারে সব সময়েই সিরিয়াস থাকেন।

• সততা ও নিয়ানুবর্তীতা থেকে এঁরা সহজে বিচ্যুত হন না।

• এত গুণ থাকা সত্ত্বেও এই ব্যক্তিরা অতিরিক্ত তার্কিক হন। এই কারণে তাঁদের জীবনে বাধাও কিছু কম আসে না।

• এঁরা আবেগতাড়িত হয়ে কিছু করে বসেন না। তাই এঁদের জীবনে প্রেম খুব ধীরে আসে। ফলত উদ্দাম রোমান্স থেকে এঁরা বঞ্চিতই থেকে যান।

• তা সত্ত্বেও এঁরা স্বভাব-রোম্যান্টিক। এঁদের শিল্পচেতনাও প্রখর।

• ভালবাসার মানুষের জন্য এঁরা করতে পারেন না, এমন কোনও কাজ নেই।

• নিজেদের বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠা দিতে এঁরা সব রকমের কষ্ট করতে প্রস্তুত থাকেন।






মন্তব্য চালু নেই