মেইন ম্যেনু

আদালতের রায় ‘এক সন্তানের দুই মা’

ছোট বেলায় একটা পৌরাণিক কাহিনী পড়েছিলাম, ‘এক শাসকের কাছে একটি সন্তানের মা হিসেবে দুজন নারী দাবি করেন। পরে শাসক তার সেনাপতিকে ওই সন্তান কেটে দু’জনের মাঝে ভাগ করে দিতে বলেন। এ সময় সন্তানের আসল মা হত্যা না করে নকল মায়ের কাছে দিতে বলেন। এভাবেই বের হয়ে আসে সন্তানটির আসল মা।’ কাহিনীতে আসল মা বের হয়ে আসলেও কানাডায় ঘটলো বিপরীত একটি ঘটনা!

আদালত রায় দিয়েছেন, একজন প্রতিবন্ধী সন্তানের মা দুজনই। তারা দু’জন মিলিয়েই সন্তানকে লালন পালন করবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নাতাশা বখত ও লিন্ডা কলিন্স একে অন্যের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। শিক্ষাজীবন শেষে কর্মস্থলেও তারা একে অন্যের সবচেয়ে কাছের মানুষ।

নাতাশা ও লিন্ডা এক সাথেই নিজেদের ছোট্ট শিশু এলানের মা দাবি করেন। দুই বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত নাতাশার প্রতিবন্ধী সন্তানের কো-পেরেন্ট বা সহ অভিভাবক হিসেবে আইনগত অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি মিলেছে।

নাতাশা বখত বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোন দাম্পত্য সম্পর্ক নেই। আমরা শুধু ভালো বন্ধু। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা এলানকে একসাথে বড় করে তুলবো’।

গত নভেম্বরেই যৌথ মাতৃত্বের এক বছর উদযাপন করেছেন নাতাশা ও লিন্ডা। কিন্তু এটি করতে দু‌ই বছর ধরে আদালতে লড়তে হয়েছে তাদের দুজনকে। বিশ্ববিদ্যালয়েই পরিচয় হবার পর দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এখন তারা সেই অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক।






মন্তব্য চালু নেই