মেইন ম্যেনু

অবশেষে পুলিশের জালে সেই ‘মহাপ্রতারক’ দিদার

কক্সবাজার: দীর্ঘ দিন লাপাত্তা থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে ২০ মামলার পলাতক আসামি দিদারুল ইসলাম ( ৪২)।

মঙ্গলবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার থানার একদল পুলিশ। প্রতারক দিদার ঈদগাঁও’র মোজাফ্ফর কোম্পানির ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হেলাল উদ্দীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউজ রোডের হাজী আমির আলী ম্যানসনের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে গ্রেপ্তারে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালাতে হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্মকর্তারা। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপ-পরিদর্শক ফওজুল আজিম ও কামাল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তা কাইয়ুম উদ্দীন জানান, দিদারুল ইসলাম একজন বড় ধরণের প্রতারক। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিপুল টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব ঘটনায় পাওনাদাররা বাদী হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণাসহ ২০ টি প্রতারণা মামলা করেছে। এর মধ্যে দু’টিতে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়েছে তার।

কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মতিউল ইসলাম জানান, প্রতারক দিদার পুলিশের চোখে ধূলো দিয়ে দীর্ঘ দিন পলাতক ছিল। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১২টি, ময়মনসিংহ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪টি ও কক্সবাজার সদর কোর্টে দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সি.আর ৯৯৬/১৩ ও সি.আর ১৭৯৪/১৪ এ দুটি মামলায় তার এক বছর করে সাজা হয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘদিন পার হলেও প্রতারক দিদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হওয়ায় প্রতারণার শিকার লোকজন স্বস্তি বোধ করছে। তারা চৌকস অফিসার হেলাল উদ্দীনসহ পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি দিদারের শাস্তি দাবি করেছেন।






মন্তব্য চালু নেই