মেইন ম্যেনু

‘৭২-৭৫ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন ইনু : গয়েশ্বর

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মাঝে যে আলোচনা হয়েছিল তা জনগণের সামনে প্রকাশ না করায় বিএনপি নেতাদের দুষলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মাঝে যে আলোচনা হয়েছে সে আলোচনার বিষয় যদি বিএনপি জনগণের সামনে প্রকাশ করতো তাহলে আজ আওয়ামী লীগ তা অস্বীকার করতে পারতো না। এজন্য দায়ী বিএনপির নেতারা।’
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের আয়োজনে ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং ঈদের পূর্বে জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে’ এক সমাবেশে প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, ‘নেতারা বলেছেন ঈদের পরে আন্দোলন হবে কিন্তু প্রস্তুতি পর্বটা অনুপস্থিত। আন্দোলনের আগ্রহ আছে কিন্তু প্রস্তুতি নেই। প্রত্যাশা করা সহজ কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ করা কঠিন। মানুষ যদি একবার পেছনে ফেরে তবে তাদের ফেরানো খুব কষ্ট হবে।’
তালপট্টি দ্বীপের প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বলছে তালপট্টি দ্বীপের কোনো অস্তিত্ব নেই। কোনো এক সময় হয়তো তারা বলবে বাংলাদেশ নামে কোনো রাষ্ট্রই ছিল না।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘এ সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী। তাদের আয়ুস্কাল খুব বেশিদিন নাই। যে সরকারের তলার নিচে ভিত নেই, মাটি নেই, সে সরকার তো পড়বেই।’
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যার সকল ক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন হাসানুল হক ইনু। অথচ আজ হাসিনাকে খুশি করার জন্য কত কিছুই না বলে বেড়াচ্ছে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘নিজেদের ব্যক্তিগত অসুবিধা গুলো বাদ দিয়ে জনগণের চাওয়া পাওয়াকে প্রাধান্য দিতে হবে। ভবিষ্যতে কে কি পাবো এ মনোভাব নিয়ে আন্দোলন করলে আন্দোলন সফল হবে না।’
সংগঠনের সভাপতি হাজী মো. লিটনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই