মেইন ম্যেনু

১২ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে দুই ‘ভাই’

দাপটের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন স্টিভ ওয়াহ ও মার্ক ওয়াহ। ২০০২ সালে অক্টোবরে স্টিভ ওয়াহ ও মার্ক ওয়াহ একই সঙ্গে শেষ টেস্ট খেলেন। শারজায় পাকিস্তানের সঙ্গে সেই টেস্ট খেলার পর মার্ক ওয়াহ অবসরে যান। তবে খেলা চালিয়ে যান স্টিভ ওয়াহ। এই দুই ভাই একসঙ্গে ১০৮টি টেস্ট খেলেছেন।

দীর্ঘ ১২ বছর পর আবারো অস্ট্রেলিয়া দলে এক সঙ্গে দুই ভাই খেলছেন। ভারতের বিপক্ষে বুধবার গাব্বা টেস্ট খেলছেন মিচেল মার্শ ও শন মার্শ। অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন শন মার্শ। এর আগে ৯টি টেস্ট খেলেছেন শন মার্শ। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট দলে ছিলেন মিচেল মার্শ।

এদিকে শন ও মিচেল মার্শের বাবা জিওফ মার্শ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন। জিওফ মার্শ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫০টি টেস্ট ও ১১৭টি ওয়ানডে খেলেছেন। টেস্টে তার রান ২৮৫৪ ও ওয়ানডেতে রান ৪৩৫৭। একই সঙ্গে দলের কোচ ও প্রধান নির্বাচকেরও দায়িত্ব পালন করেন।

অস্ট্রেলিয়া দলে ভাইদের দাপট অনেক আগের থেকেই। ১৮৭৭ সালে ডেভ গ্রেগরি ও নেড গ্রেগরি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে মাঠে নামেন। সে সময় অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ছিলেন ডেভ গ্রেগরি। ডেভ ও নেড গ্রেগরির পর অস্ট্রেলিয়া দলে খেলেন নেডের ছেলে সিডনি গ্রেগরি।

অস্ট্রেলিয়া দলে একসঙ্গে টেস্ট খেলেছেন চার্লস ও অ্যালেক ব্যানারম্যান। সত্তর দশকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেন ইয়ান চ্যাপেল ও গ্রেগ চ্যাপেল। ১৯৭০ এর পর একসঙ্গে ৪৩ টেস্ট ও ১৬ ওয়ানডে খেলেছেন এই দুই ভাই। দুইজনই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পরিবারের সবচেয়ে ছোট ট্রেভরও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন। ১৯৮০-৮১ সালে গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে ১৩ ওয়ানডে খেলেন ট্রেভর চ্যাপেল। এদিকে চ্যাপেল ব্রাদার্সের দাদা ভিক্টর রিচার্ডসন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯ টেস্ট খেলেন। ১৯৩০ সালে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি।

চ্যাপেল ব্রাদার্সের পর মাঠ মাতান জমজ দুই ভাই স্টিভ ওয়াহ ও মার্ক ওয়াহ। স্টিভ ওয়াহ মার্ক ওয়াহের থেকে মাত্র ৪ সেকেন্ডের বড়। ১৯৯১ সালে তারা প্রথম এক সঙ্গে খেলেন। এরপর ১০৮ টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এই ভ্রাতৃদ্বয়।

ওয়াহ ব্রাদার্সের সময়ই অস্ট্রেলিয়া দলে খেলেন লি পরিবারের দুই সদস্য। ব্রেট লি ও শেন লি টেস্ট খেলেননি। তবে ২০০০ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৭ ওয়ানডে খেলেছেন তারা। ওয়াহ ব্রাদার্সের পর মাইকেল হাসি ও ডেভিড হাসি একসঙ্গে ৬৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলন। তবে একটিও টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারেননি। মাইকেল হাসি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭৯টি টেস্ট খেলেছেন। অপরদিকে ডেভিড হাসির টেস্ট ক্যাপ পরার সৌভাগ্য হয়নি।

দীর্ঘ ১২ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন দুই ভাই। ৮ বছরের বয়সের ব্যবধান রয়েছে এই দুই ক্রিকেটারের। তাদের জুটি কতদিন টেকে তাই দেখার বিষয়।






মন্তব্য চালু নেই