মেইন ম্যেনু

হাসপাতাল থেকেই ক্লার্কের দল পরিচালনা!

কথায় বলে, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। কথাটা যে একেবারে মিথ্যে নয়, তাই যেন প্রমান করলেন অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। হাসতালের বিছানায় শুয়ে শুয়েই দল পরিচলানা করছেন তিনি!

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে শুতে হয়েছে অপারেশন টেবিলে। হ্যামস্ট্রিংয়ে সফল অস্ত্রোপচারও করিয়ে ফেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। তবে এখনও হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে। সেখান থেকে কবে ছাড়া পাচ্ছেন সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি অসি টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকলে কি হবে, সেখান থেকেই ভার্চুয়াল নির্দেশনায় দল পরিচালনা করছেন মাইকেল ক্লার্ক!

ঘটনাটা আসলে খুবই সহজ। প্রযুক্তির এই যুগে যখন কোন রাজা জার্মানির কোন এক গ্রামে বসে আফ্রিকায় রাজ্য শাসন করতে পারেন, কিংবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক দেশে বসে আরেক দেশে বক্তব্য দিতে পারেন, তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কেন দল পরিচালনা করা যাবে না!

ক্লার্ক সত্যি সত্যি কিন্তু দল পরিচালনা করেননি। ব্রিসবেন টেস্টের প্রথম দিন যখন ভারতীয় ব্যাটসম্যান মুরালি বিজয় সেঞ্চুরি করে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে, তখন টুইটারে তাকে আউট করার টোটকা বাতলে দিয়েছেন ক্লার্ক।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুয়ে খেলা দেখছিলেন তিনি। পা অচল হলে কি হবে, হাত তো সচল। সুতরাং, শুয়ে শুয়েই চলছিল ম্যাচ নিয়ে করা তার বিভিন্ন মন্তব্যও। একটু পর পরই টুইট করছিলেন।
মুরলী বিজয়কে সেঞ্চুরির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার স্মিথদের বাতলেছেন তাকে থামানোর টোটকাও, ‘বিজয় গত টেস্টের মতো এই টেস্টেও খুব ভালো বল ছেড়েছে। ওকে ইনিংসের শুরুর দিকে আরও বেশি বল খেলাতে হবে। তাহলেই কাজ হয়ে যাবে।’ আবার কখনও প্রশংসা করেছেন বোলার শেন ওয়াটসনের, কখনও ফিল্ডার ক্রিস রজার্সের।

অপারেশন এবং ক্লার্কের অবস্থা নিয়ে বুধবার দুপুরে ফিজিও অ্যালেক্স কন্টৌরির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, ‘চোটটা আসলে ছিল হ্যামস্ট্রিংয়ের টেন্ডনে। সার্জন জানিয়েছেন, চোটটা যেখানে ছিল, সেটা ঠিক করা গিয়েছে। অস্ত্রোপচার যে রকম হয়েছে, তাতে ও দ্রুতই সুস্থ হবে বলে মনে হচ্ছে। আর বারেবারে চোটটা ফিরে আসার সম্ভাবনাও কম থাকছে।’






মন্তব্য চালু নেই