মেইন ম্যেনু

হলিউড অভিনেত্রী মালালা!

ভিরা মিন্ডি চকালিঙ্গম। হলিউড এ অভিনেত্রী ও মডেলকে ভক্তরা চেনেন মিন্ডি ক্যালিং নামে। ২০১৩ সালে টাইম ম্যাগাজিন-এর দৃষ্টিতে বিশ্বসেরা ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির একজন তিনি।
৩৫ বছর বয়সি মিন্ডি তার অভিনয় জগতে যে বেশ খ্যাতি কুড়িয়েছেন, এর মাধ্যমে সেটাই বোঝায়। এর পরও সম্প্রতি এই অভিনেত্রীকে চিনতে ভুল করলেন খোদ এক মার্কিন।
ভুল বললে কম হবে, আবেগাপ্লুুত হয়ে মিন্ডিকে ওই ব্যক্তি যেভাবে সম্বোধন করলেন, তাতে মিন্ডির মনে নোবেল পাওয়ার বাসনাই প্রবল হলো।
চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘটনাটি ঘটেছে নিউ ইয়র্কের একটি হোটেল। নিউ ইয়র্কার ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে মিন্ডি সেখানে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে, ৮০ বছরের এক ব্যক্তি মিন্ডিকে এক কোণে টেনে নিয়ে বললেন, ‘নোবেল পাওয়ার জন্য তোমাকে অভিনন্দন!’
মিন্ডি কী বলবেন ওই ব্যক্তিকে, কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তাকে যে মানুষটা চিনতে পারেননি, সেটা মিন্ডির কাছে পরিষ্কার। কিন্তু কাকে মনে করে তাকে নোবেলের শুভেচ্ছা দিচ্ছেন ওই বৃদ্ধ? মিন্ডি বুঝতে পারলেন লোকটার পরের কথাগুলোয়।
তালেবানদের হামলা তোমার জীবন ও স্বপ্ন কেড়ে নিতে পারেনি। তুমি বড়ই সাহসী। তোমার জীবন অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাবে- আবেগতাড়িত কণ্ঠে একনাগাড়ে লোকটা বলেই চললেন এসব কথা। এগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনলেনও মিন্ডি। আর মনে মনে মালালার কথা ভাবলেন তিনি।
লোকটার কাছ থেকে সরে যাওয়ার পর প্রাণ খুলে একগাল হেসে নিলেন মিন্ডি। ভুল করে হোক, অভিনন্দন তো পাওয়া গেল!
সংবাদ কাভার করতে গেলে নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদককে মিন্ডি বলেন, ‘তিনি (বৃদ্ধ) আমাকে মালালা মনে করেছেন।’
এরপর মিন্ডি বলেন, ‘আহা! সত্যিই যদি আমি মালালা হতাম, তাহলে বুম বুম রুম বনে যেতাম। সারা রাতে এর চেয়ে বেশি আনন্দ আমি আর কিছুতেই পাইনি।’

ভারতের গান্ধীবাদী আন্দোলনের নেতা কৈলাস সত্যার্থীর সঙ্গে যৌথভাবে এ বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনকর্মী মালালা ইউসুফজাই।
২০১২ সালে তালেবানরা মালালাকে কাছ থেকে গুলি করলেও প্রাণে বেঁচে যান। তখন থেকে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন মালালা।
প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ মডেল নওমি ক্যাম্পবেল শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে টুইট বার্তায় সবচেয়ে কম বয়সে নোবেলজয়ী মালালাকে ভুল করে ‘ম্যালেরিয়া’ বলে উল্লেখ করেছিলেন ।

ত্যথ্যসূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই