মেইন ম্যেনু

স্তন ক্যান্সার নীরব ঘাতক

‘বাংলাদেশে প্রতি ৮ জন নারীর মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং প্রতিবছর ২২ হাজারের বেশি নারী আক্রান্ত হয়ে ১৭ হাজার মারা যাচ্ছেন।’
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ভিআইপ লাউঞ্জে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম আয়োজিত ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস’ এর আলোচনায় বক্তারা এ তথ্য দেন। সামাজিক কুসংস্কার, নারীর লাজুকতা বা রোগ লুকিয়ে রাখা এবং পারিবারিক অসচেতনার কারনে এ রোগ দিন দিন বেড়ে চলছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, ‘ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর কারণ হিসেবে সারা বিশ্বে স্তন ক্যান্সারের স্থান দ্বিতীয়, শীর্ষে রয়েছে ফুসফুসের ক্যান্সার। শিল্পোন্নত দেশে মহিলাদের স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুর হিসেবে শীর্ষে। এ রোগে বছরে প্রতি একলাখ মহিলার মধ্যে ৮০ জন আক্রান্ত হন।’
সংগঠনটির সমন্বয়ক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, ‘স্তনে পিন্ড বা চাকা হলে যেমন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি সব চাকাই যে ক্যান্সার, তাও নয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে যে, স্তনের চাকার শতকরা ১০ ভাগ শেষ পর্যন্ত ক্যান্সার হিসেবে চিহ্নিত হয়, বাকি ৯০ ভাগই বিনাইন ডিটুমার বা অন্য কোন সাধারণ রোগ যা সহজেই নিরাময় করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কাজী রোজী (এমপি) বলেন, ‘আমি ১৯৯৪ সালে এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছি। ওই বছর প্রথম জানুয়ারি এক পরীক্ষার মাধ্যমে এটি সনাক্ত করা হয়। তখনতো এত আধুনিক যন্ত্র ছিলনা। কিন্তু আমি তাতে ভয় না পেয়ে এর প্রতিকারের মনস্থির করি। আমি সফল হয়েছি।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ক্যঅন্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্টার ফর কন্ট্রোল অব ক্রনিক ডিজিজেস ইন বাংলাদেশ, আইসিডিডিআরবি, ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড এন্ড মাদার হেলথ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, আহসানিয়া মিশন ক্রঅন্সার হাসপাতাল, ওজিএসবি, ইএইচআরডি ক্যান্সার সাপোর্ট, অপরাজিতা, ওয়াইডাব্লিউসিএ, সিআইএসডি, বাংলাদেশ ব্রাস্টফিডিং ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ একাডেমি অব প্যাথলজি, ক্যান্সার রোগী ও স্বজনসমাজ ফাউন্ডেশন, প্রত্যাশা ২০২১ ফোরম, হিমু পরিবহনণ, পিকিং লাইফ, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র, গাজীপুর ক্যঅন্সার হাসপাতালত, বাংলাদেশ কমিউনিটি অনেকোলজি নেটওয়ারক এবং সিপিপিআরের নেতারা।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই