মেইন ম্যেনু

সুস্বাদু কামরাঙ্গার নানা পুষ্টিগুণ

টক মিষ্টি স্বাদে কামরাঙ্গা অতি পরিচিত একটি ফল। বৈজ্ঞানিক নাম Averrhoa carambola. ইংরেজিতে একে বলে স্টারফ্রুট।  সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারিতে ফলটি পাওয়া যায়। মৌসুমী ফল কামরাঙ্গা শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। প্রতি একশ গ্রাম কামরাঙ্গায় শক্তি মেলে ৩১ কিলোক্যালরি। শর্করা ৬.৭৩ গ্রাম, চিনি ৩.৯৮ গ্রাম, খাদ্য ফাইবার ২.৮ গ্রাম, স্নেহ ০.৩৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.০৪ গ্রাম, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড (বি৫) ০.৩৯ মিলিগ্রাম, ফোলেট (বি৯) ১২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৩৪.৪ মিলিগ্রাম।  এ ছাড়াও কামরাঙ্গায় পাওয়া যাবে ভিটামিন এ, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও দস্তা।

কামরাঙ্গা

অন্ত্রের ক্যান্সার রোধ

এটি শরীরের পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। কামরাঙ্গা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়। পেটের ব্যথায় কামরাঙ্গা খুব উপকারি। কামরাঙ্গায় আছে এলজিক এসিড। এটি অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

হৃদরোগ প্রতিরোধ

কামরাঙ্গার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল নামক উপাদানে সমৃদ্ধ। যা  হৃদরোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।

ওজন কমায়

কামরাঙ্গা ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে উচ্চমানের ফাইবার। কামরাঙ্গায় ক্যালরির পরিমাণ সামান্য হওয়ায় ওজন বাড়ার আশঙ্কা কম থাকে। এছাড়া কামরাঙ্গা শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

কামরাঙ্গায় উচ্চমানের ভিটামিন এ, সি, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক রয়েছে। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রক্ত পরিষ্কারক

কামরাঙ্গার পাতা ও কচি ফলে আছে ট্যানিন নামক উপাদান। যা রক্ত পরিশোধন করে। রক্ত জমাট বাঁধতেও সাহায্য করে।

সর্দি-কাশি সারায়

কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তা করে খেলে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। দীর্ঘদিনের জমাট সর্দি বের করে।

কৃমিনাশক

কামরাঙ্গা পাতা ও ডগার একসঙ্গে গুঁড়া করে খেলে জলবসন্ত ও বক্রকৃমি দূর হয়। কামরাঙ্গার রসের সঙ্গে নিমপাতা মিশিয়ে খেলে কৃমি দূর হয়।

অর্শ রোগে সারাতে

২ গ্রাম পরিমাণ শুকনো কামরাঙ্গার গুঁড়া পানির সঙ্গে রোজ একবার করে খেলে অর্শ রোগে ভালো হয়। বাতের ব্যথায়ও কামরাঙ্গা বেশ উপকারি। তবে গবেষকরা খালি পেটে কামরাঙ্গা না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই