মেইন ম্যেনু

সুমির লাশ ধরে স্বজনদের আহাজারি

স্বজনদের আহাজারি আর শোকাবহ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যশোর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খান টিপু সুলতানের পুত্রবধূ শামারুখ মেহজাবিন সুমির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার রাতে এশার নামাজের পর সুমির জানাজা শেষে কারবালা কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে সন্ধ্যারাতে সুমির মরদেহ যশোর শহরের আরবপুর মোড়ের বাসভবনে এসে পৌঁছায়। লাশ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। এলাকার শত শত নারী পুরুষ সুমিকে শেষবারের মত দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমান। তবে সুমির শ্বশুর বাড়ির লোকজনকে দেখা যায়নি।

মৃত শামারুখ মেহজাবিন সুমি যশোর শহরের আরবপুর এলাকার প্রকৌশলী নুরুল ইসলামের মেয়ে ও যশোর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ নেতা খান টিপু সুলতানের ছেলে হুমায়ুন সুলতান সা’দাফের স্ত্রী।

নিহত সুমীর চাচা আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোরের সাবেক এমপি খান টিপু সুলতানের ছেলে হুমায়ুন সুলতান সা’দাফের সাথে শামারুখ মেহজাবিন সুমির বিয়ে হয়। সুমি পেশায় চিকিৎসক। আর হুমায়ুন সা’দাফ আইনজীবী। সুমী এফসিপিএস পরীক্ষা দিতে চাইলেও তাকে বারবার বাধা দেয়া হয়েছে। শ্বশুর শাশুড়ি কখনো চাইতেন না সুমি এফসিপিএস কোর্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুক। বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার পরিকল্পিতভাবে শ্বশুর-শাশুড়ি সুমিকে পিটিয়ে হত্যা করে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখে। পরে উদ্ধার করে রাজধানীর সেন্ট্রাল হসপিটালে নেয়া হয়। এ অভিযোগে ওই রাতেই সুমীর বাবা নুরুল ইসলাম ঢাকায় মামলা করেছেন। এ মামলায় সুমির স্বামী হুমায়ুন সুলতানকে আটকও করেছে।

অপরদিকে, সাবেক এমপি খান টিপু সুলতান সাংবাদিকদের জানান, দুপুরে সুমী বাথরুমে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনার পর তার পরিবারের স্বজনদের জানানো হয়েছে। থানায় নিজে খবর দিয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

হত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা। এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত। সে আত্মহত্যা করেছে।






মন্তব্য চালু নেই