মেইন ম্যেনু

সুন্দরগঞ্জে বামনডাঙ্গা বিল নিয়ে প্রভাবশালীদের পোয়াবারো

নুরুল আলম ডাকুয়া, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত বামনডাঙ্গা বিল নিয়ে নানান অপকৌশলে প্রভাবশালীদের পোয়াবারো অবস্থা দেখা দিয়েছে। সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে সর্বানন্দ ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড। জেলা প্রশাসক বে-আইনীভাবে ইজারার মাধ্যমে বন্দোবস্ত চালু করার বিরুদ্ধে উন্মুক্ত জলাশয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন সুতীশ চন্দ্র দাশ নামে স্থানীয় এক অসহায় মৎস্যজীবি।

বিভিন্ন তথ্য নির্ভর সূত্রে জানা যায়, ১৯৮০ থেকে ২০০৫ইং সাল পর্যন্ত বামনডাঙ্গা বিলটি উন্মুক্ত জলাশয় ছিল। এরপর জেলা প্রশাসক জলমহাল হিসেবে ৩৬ একরের প্রতি ৩ বছর মেয়াদে লীজ প্রদান করলেও ৫৪ একর ৫২ শতক জমি অবৈধ দখলকারদের কবলে রয়েছে। সর্বানন্দ ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর সাধারণ সম্পাদক রমনীকান্ত দাশ বলেন-১৪১৪ থেকে ১৪১৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ৩ বছরের করে মেয়াদে এই সমিতির নামে লীজ নিয়ে তীরবর্তী মৎস্যজীবি হিসেবে সুবিধাভোগ করে আসছিল। বর্তমানে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ইজারা প্রদানের মাধ্যমে সুন্দরগঞ্জ থানা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড লীজ প্রাপ্ত হলেও প্রকৃত মৎস্যজীবিদের স্থলে অমৎস্যজীবিরা এই বিলটির সুবিধা ভোগ করছে। অবৈধভাবে সুবিধাভোগীরা সকলেই অর্থ-বৃত্তবান, প্রভাবশালী এবং জলমহাল ব্যতীত অপর ৫৪ একর ৫২ শতক জমির অবৈধ দখলকার। তিনি এই লীজ বাতিল পূর্বক তীরবর্তী মৎস্যজীবিদের সুবিধা ভোগের জন্য নিবেদন জানান। এনিয়ে মোবাইল-ফোনে কথা হলে-সুন্দরগঞ্জ থানা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর সাধারণ সম্পাদক-মাধব চন্দ্র দাশ সর্বানন্দ ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড ও তীরবর্তী মৎস্যজীবিদের বঞ্চিত করার কথা স্বীকার করে বলেন-ঐ সমিতির সাধারণ সম্পাদক রমনীকান্ত দাশ এসে ইউএনও স্যারের কাছে আপোষ নামায় স্বাক্ষর করে গেছে।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মহাব্বত আলী বলেন-অভিযোগ মর্মে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।






মন্তব্য চালু নেই