মেইন ম্যেনু

সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের ফ্ল্যাট ছাড়তে হবে

নবম সংসদের ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও ১০ এমপিরা যারা এখনও সংসদ সদস্যদের ন্যাম ভবন ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন তাদেরকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ফ্ল্যাট ছেড়ে দেয়ার সুপারিশ করেছে সংসদ কমিটি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- নৌ পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান, ভূমি প্রতিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ও মৎস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী ছাইদুল হক।

বৈঠকে সূত্রে জানা যায়, নবম সংসদের মেয়াদকালে যেসব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় সংসদ সদস্যদের সরকারি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পেয়েছিলেন, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদের ফ্ল্যাটও বাতিল হয়ে গেছে। তবে যেসব মন্ত্রী এখনও এসব ফ্ল্যাট দখল করে আছেন, তাদেরকে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্য বাড়ি ভাড়া অনুযায়ী বকেয়াসহ ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। যারা এ ভাড়া পরিশোধ করতে পারবেন না, তাদের ফ্ল্যাটের দখলভার সংশ্লিষ্ট কেয়ারটেকারের কাছে বুঝিয়ে দেয়ারও সুপারিশ করা হয়।

তবে যেসব মন্ত্রী বকেয়াসহ ফ্ল্যাটের ভাড়া দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বরাদ্দ বাতিল বলেও গণ্য হবে বলে বৈঠকে সুপারিশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়াস্থ সংসদ সদস্য ভবনের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের সঙ্গে অবস্থানরত গৃহকর্মী এবং ড্রাইভারদের জন্য আইডি কার্ডের ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও এমপিদের কাছে আগত অতিথিরা যাতে সরাসরি সদস্যদের বাসায় না ঢুকতে পারে, সেজন্য ইন্টারকমে সংশ্লিষ্ট সদস্য এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচিয় নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ও আনসার সদস্য বাড়ানোর বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংসদ সদস্য ভবনের নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সোসাইটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ছাড়া বাকি সদস্যরা হলেন সাগুফতা ইয়াসমিন, পঞ্চানন বিশ্বাস, নূরুল ইসলাম ওমর ও শেখ হাফিজুর রহমান।

এছাড়াও বৈঠকে সংসদ সদস্যদের কক্ষে সরবরাহকৃত বিভিন্ন ধরনের সেনিটারি ফিটিংসের মান নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকালে এগুলো সরবরাহের সময় মানসম্মত সেনিটারি জিনিসপত্র সরবরাহ করার সুপারিশ করা হয় এবং সদস্যদের ফ্ল্যাটে যে কোনো ধরনের কাজ সমাপ্ত করার পর সংশ্লিষ্ট সদস্যের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে বিল পরিশোধের জন্য পিডব্লিউডিকে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সংসদ ভবন এলাকায় ক্যান্টিন, বিমানের টিকেট ক্রয়, লন্ড্রি ও কনফেকশনারি সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয় এবং এসব সমস্যা সমাধানে বাস্তবসম্মত কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- শহীদ, নূর-ই-আলম চৌধুরী, সাগুফতা ইয়াসমিন, পঞ্চানন বিশ্বাস, ফজলে হোসেন বাদশা এবং মোছাঃ মাহাবুব আরা বেগম গিনি প্রমুখ।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই