মেইন ম্যেনু

সাবধান, ইভটিজিং রোধে সুন্দরী গোয়েন্দা!

রাস্তা, স্কুল-কলেজের সামনে তরুণীদের উত্তাক্তকারীদের শায়েস্তা করতে এবার মাঠে নেমেছে সুন্দরী গোয়েন্দা পুলিশ। এই গোয়েন্দাদের নাম দেয়া হয়েছে ‘এন্টি রোমিও স্কোয়াড’।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে বিজয়ী বিজিপি সরকার ক্ষমাতায় আসার পরই এমনি সিদ্ধান্ত নিলো। যদিও নারীদের প্রতি অশালীন মন্তব্য, যৌন হেনস্তা এবং ধর্ষণের মতো ঘটনা এড়াতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু এ বাহিনীর কিছু কর্মকাণ্ডের কারণে বেশ সমালোচিত হয়েছে বাহিনী।

তাদের কাজ হচ্ছে সাধারণ পোশাকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করা। স্কুল পড়ুয়া কিংবা কর্মজীবী নারীদের প্রতি কেউ অশালীন বা ইঙ্গিত পূর্ণ মন্তব্য করলেই তাদের হাতে নাতে ধরে আইনের আওতায় আনা।
প্রথমদিকে রাজ্য সরকারের এমন উদ্যোগে নানা মহল সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিল। নতুন বাহিনীও কাজ করছিল বেশ! গোল বাঁধে যখন বিনা অপরাধে বেশ ক’জন পুরুষকে এন্টি রোমিও স্কোয়াড হেনস্তা করে।

‘মূলত এন্টি রোমিও স্কোয়াডের কাজ হচ্ছে স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নারী শিক্ষার্থীদের চলাফেরার সময় হয়রানির শিকার হয় কিনা তা লক্ষ্য রাখা। অপরাধীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের শাস্তির আওতায় আনা। কিন্তু এই বাহিনী পার্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঘুরতে যাওয়া দম্পতি কিংবা জুটিকে হয়রানি করছে। ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অন্যায় আবদার করছে।’ উত্তর প্রদেশের একটি মানবাধিকার সংস্থার কর্মী শুক্লা ভৌমিক সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানান।

একই ধরনের অভিযোগ করেছে রাজ্যের বেশ কিছু পার্কের রক্ষণাবেক্ষণে থাকা কর্মীরাও। অতুল কুমার নামের এক টিকিট বিক্রেতা জানান, তিনি যে পার্কে কাজ করছেন সেখানে আগে প্রতিদিন প্রচুর নর-নারী বেড়াতে আসতেন। কিন্তু বিশেষ বাহিনী গঠনের পর পুরো পার্ক এখন ফাঁকা থাকে।

আনসুল শ্রীবাস্তব নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র বলেন, যারা ইভ টিজিং করে তারা সংখ্যায় অনেক নগণ্য। সাধারণ মানুষই তাদের প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এজন্যে সরকারের উচিৎ সামাজিক সচেতনতা আরও জোরদার করা।






মন্তব্য চালু নেই