মেইন ম্যেনু

সাতক্ষীরার এসপির আহবানে সাড়া দিয়ে কলারোয়ায় ৩মাদক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলো

রাশেদুল হাসান কামরুল, কলারোয়া: সাতক্ষীরার এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরের আহবানে সাড়া দিয়ে কলারোয়ার ৩মাদক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালামের অনুরোধে তারই ইউনিয়নের ৩মাদক ব্যবসায়ী সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপনের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পন করে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। সুস্থ জীবনে ফিরে আসায় উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। আত্মসমর্পনকারীরা হলো- লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের মৃত শওকত আলির ছেলে নাছির উদ্দীন (৩৭), মৃত আনছার আলির ছেলে লাল্টু হোসেন ও মোকছেদ আলির ছেলে ইন্তাজ আলি। ‘জীবনে আর কখনো মাদক বিক্রির মতো জঘন্য কাজে নিজেকে জড়িত করবো না। আগে না বুঝে এই খারাপ কাজ করে সমাজের চোখে খারাপ মানুষ হয়েছি। তাই যতদিন বাঁচবো এই খারাপ কাজে আর জড়াবো না’।-এমনই প্রতিজ্ঞা করে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আত্মসমর্পন করা ওই ৩ ফেনসিডিল ব্যবসায়ী ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা ও সেবন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেয়। গত ১১জুন কলারোয়ায় ‘ওপেন হাউজ ডে’তে সাতক্ষীরার এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির পিপিএম’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে সর্বপ্রথম উপজেলার মাদকের স্বর্গরাজ্য খ্যাত লাঙ্গলঝাড়ার ৩ ফেনসিডিল ব্যবসায়ী মাদক ব্যবসা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আত্মসমর্পন করলো। উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন আত্মসমর্পনকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ থেকে তোমরা আবার নতুন জীবন শুরু করবে। যে জীবনে থাকবে না মাদকের মন্দ স্পর্শ, থাকবেনা কোন ঘৃনা-অপমান। এসময় সেখানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালাম, এসআই আইনুদ্দীন, এএসআই মামুন, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম রহমান, সা. সম্পাদক প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল, সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেন, ইউপি সদস্য কোমল বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম, সাংবাদিক জুলফিকার আলি প্রমুখ। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পনকারী ওই ৩ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোন মামলা না থাকায় তারা আটক হয়নি বরং সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে প্রশাসনিক ভাবে তাদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।






মন্তব্য চালু নেই