মেইন ম্যেনু

সমুদ্রের তলা দিয়ে ট্রেনে ভ্রমণ! কোথায় হচ্ছে এই রেলরুট?

রেলই হল আমাদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম। কিন্তু, ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণ সেভাবে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন, বুলেট ট্রেনের স্বাদ যাতে দেশবাসী পায় সে জন্য তিনি পদক্ষেপ নেবেন। সেই অনুযায়ী গত কয়েক বছর ধরেই বুলেট ট্রেন প্রকল্প ভারতে গতি পেয়েছে।

ঠিক হয়েছে, ভারতের বুলেট ট্রেন প্রথম ছুটবে মুম্বই থেকে আমদাবাদের মধ্যে। এর জন্য নতুন করে রেলরুটও তৈরি করা হচ্ছে। ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেল রুটে বুলেট ট্রেনের খানিকটা সফর হবে সমুদ্রের তলা দিয়ে। আরব সাগরের পেট চিরে মুম্বই থেকে গুজরাতের উপকূলে গিয়ে উঠবে বুলেট ট্রেন।

জানা গিয়েছে, ঠানে থেকে গুজরাতের ভিরার পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘের একটি সুড়ঙ্গ বানানো হবে। এই সুড়ঙ্গপথের ৭ কিলোমিটার হবে সমুদ্রের তলা দিয়ে। এই সুড়ঙ্গপথে বুলেট ট্রেনের গতিবেগ থাকবে সর্বাধিক ৩৫০ কিলোমিটার।

বুলেট ট্রেন প্রকল্প রূপায়ণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা জিআইসিএ বা জাইকা ইতিমধ্যেই সমুদ্রের তলা দিয়ে সুড়ঙ্গ বানানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭০ মিটার গভীরে, সমুদ্রের মাটি এবং পাথরের গুণমান এবং অন্যান্য বিষয়গুলির পরীক্ষা-নিরিক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। মূলত এই মাটি এবং পাথরের জিও-টেকনিক্যাল এবং জিও-ফিজিক্যাল প্রকৃতির পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত রেল সূত্রে যা খবর তাতে ২০১৮ সালে সমুদ্রের তলা দিয়ে সুড়ঙ্গ বানানোর কাজ শুরু হবে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করা হবে। বুলেট ট্রেনের এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৭,৬৩৬ কোটি টাকা। এই বিপুল খরচের ৮১ শতাংশ অর্থ যোগাচ্ছে জাপান। তারা ঋণ হিসাবে ভারতীয় রেলকে এই অর্থ দেবে বলে চুক্তি হয়েছে। ০.১ শতাংশ সুদে ১৫ বছরের মধ্যে এই অর্থ জাপানকে ফেরত দিতে হবে।






মন্তব্য চালু নেই