মেইন ম্যেনু

শিশু শ্রমিক ছিলেন যে প্রেসিডেন্ট

শুনে হয়তো একটু অবাকই হবে। আর তোমরা যারা শিশুশ্রমিক তারা গর্বিত হবে যে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট মোরালেস ছোটবেলায় আখ ও কোকো কাজ করতেন।

শিশু শ্রমিকদের একটি প্রতিনিধিদল বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের সঙ্গে দেখা করারও সুযোগ পায়। তিনি জানান যে নিজেও ছোটবেলায় আখ ও কোকো খেতে কাজ করেছেন। তাই তিনি শিশুদের এই দাবিটা বুঝতে পারেন। পরিবারকে সাহায্য করার জন্য কাজ করা বলিভিয়ার সামাজিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

শিশু শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা সাংসদদের প্রশ্ন করেছিল তাদের অল্পবয়সে কাজ করতে হয়েছে কিনা। বেশিরভাগের উত্তর ছিল ‘হ্যাঁ’ সূচক। এইভাবে শিশু শ্রমিকরা সাফল্যের পথে এগিয়ে যায়।

বলিভিয়ায় শিশু শ্রমিকরা শিশু ও কিশোরদের জন্য একটি ন্যায়সঙ্গত আইন প্রবর্তনের দাবি জানাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরাও মনে করেন, শিশুশ্রমকে অপরাধের আওতায় না এনে একে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। কেননা অনেক পরিবার শিশুদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল।

ল্যাটিন অ্যামেরিকার সবচেয়ে দরিদ্র দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১৮ বছরের নিচে ৮ লাখ ৫০ হাজার শিশু-কিশোর নিয়মিত কাজ করে থাকে। পরিবারকে সাহায্য করার জন্য বলিভিয়ার প্রতি চারজনে একজন শিশুকে কাজ করতে হয়। ‘এটাই বলিভিয়ার বাস্তবত।’ বলেন মানবাধিকার সংস্থা ‘ত্যার দেজ অম’এর শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ এলিজাবেথ পাটিনো ডুরান।

তার মতে, ‘আমরা এই বিষয়টির দিক থেকে চোখ বন্ধ করে রাখতে পারবো না। কেননা এরা তো কর্মরত শিশু ও কিশোর, যারা আইনকে খাপ খাওয়ানোর জন্য রাস্তায় নেমেছে।’

সবশেষে প্রেসিডেন্ট মোরালেস বলেন, ‘শিশু শ্রমিকরা সাংসদদের সংবেদনশীল করতে সমর্থ হয়েছে। এর কারণ সাংসদদের অধিকাংশই একাডেমিক পরিবার থেকে আসেননি। পরিবারকে সহায়তা করার জন্য কাজ করতে হয়েছে অনেককেই।’

সূত্র: ডয়েচে ভেলে






মন্তব্য চালু নেই