মেইন ম্যেনু

নবম শ্রেণিতে বেঁচে আছে শুধু একজন

শিক্ষার্থীদের সামনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় অধ্যক্ষকে

তাহিরা কাজি। পাকিস্তানের পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। মঙ্গলবার তার নিজ কক্ষে থাকা অবস্থায় তালেবানরা তাকে পুড়িয়ে দেয়। পুড়ে অঙ্গার হয়ে যায় তার দেহটি।

ধারণা করা হচ্ছে, সেনাকর্মকর্তা জাফরুল্লাহ কাজিকে বিয়ে করার জন্য তাকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। উল্লেখ্য, তালেবানদের ওপর সেনা অভিযানের প্রতিশোধ নিতে সাত জঙ্গি মঙ্গলবার হামলা চালায় স্কুলে। এই স্কুলের ৫০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অধিকাংশ সেনাকর্মকর্তাদের সন্তান, স্ত্রী ও আত্মীয়।

বুধবার সকালে নিরাপত্তাকর্মী ও সেনারা স্কুলটি পরিদর্শন করে। এসময় তালেবানদের চালানো তা-বের ভয়াবহ নজির পাওয়া যায়। স্কুলের অধ্যক্ষ তাহিরা কাজির অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানেই পাওয়া পাওয়া যায় তার অঙ্গার হওয়া দেহাবশেষ।

 

নবম শ্রেণিতে বেঁচে আছে শুধু একজন

পাকিস্তানের পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুল ও কলেজে মঙ্গলবার সাত তালেবান জঙ্গির হামলায় স্কুলটির নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীর মধ্যে বেঁচে আছে শুধু একজন। এই শ্রেণির সব শিশুশিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে জঙ্গিরা।

বেঁচে যাওয়া এই শিশুর নাম দাউদ ইব্রাহিম। বয়স ১৫ বছর। তার বেঁচে থাকার কারণ, সে মঙ্গলবার স্কুলে আসতে পারেনি।

আগের দিন রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। ঘড়িতে অ্যালার্ম না বাজায় ঠিক সময়ে ঘুম থেকে ওঠা হয়নি। এজন্য এদিন স্কুলে অনুপস্থিত ছিল সে। হাজিরা খাতায় তার নাম ওঠেনি তার। কিন্তু হাজিরা খাতায় নাম ওঠা তার সহপাঠীদের মধ্যে আর কেউই বেঁচে নেই। সবাইকে হত্যা করেছে তালেবান জঙ্গিরা।

দাউদ ইব্রাহিমের বড় ভাই এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, নেহাত কপাল। না হলে ওর বেঁচে থাকার কথা নয়। তবে বুধবার সারা দিন দাউদ ব্যস্ত থেকেছে বন্ধুদের দাফনে অংশ নিতে।






মন্তব্য চালু নেই