মেইন ম্যেনু

শিক্ষক পরিবারকে পুড়িয়ে মারার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

কলারোয়া শেখ আমানুল¬াহ ডিগ্রী কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক খলিলুর রহমানের লাঙ্গলঝাড়ার বাড়িতে সম্প্রতি পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের পুড়িয়ে মারার প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা মোড়ে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের দু’ধারে শিক্ষক সমাজের পাশাপাশি সাধারণ জনতাও মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার তালুকদারের নিকট স্মারক লিপি প্রদাণ করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করে গ্রেফতার পূর্বক অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের আহবান জানান। সাথে সাথে শিক্ষক খলিলুর রহমানের সদ্য প্রয়াত কনিষ্ঠপুত্র তামিম আজাদ (৬) এর আত্মার মাগফিরাত এবং সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন তার স্ত্রী শাহানারা খাতুন ঝর্ণা (৩৮) ও বড় পুত্র তানভির আসাদ (১১) এর সুস্থতা কামনা করেন বক্তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এমএ ফারুক, সাতক্ষীরা জেলা বাকশিসের সভাপতি অধ্যক্ষ আ.রহমান, উপজেলা বাকশিসের সভাপতি অধ্যক্ষ নজিবুল ইসলাম, শেখ আমানুল¬াহ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরা বেগম, মাধ্য.শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানুল¬াহ আমান, মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান সমিতির সা.সম্পাদক এটিএম রুহুল কুদ্দুস ও শিক্ষক নেতা অধ্যাপক আবুল খায়ের। পরে ইউএনও’র নিকট স্মারক লিপি প্রদাণ করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। এ কর্মসূচিতে কলারোয়া প্রেসক্লাব একাত্মতা ঘোষনা করে। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম রহমান, সা.সম্পাদক প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল, নির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপক শেঠ, সাবেক সা.সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল¬ু, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, এমএ সাজেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আহতদের সুচিকিৎসার্থে বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ ১৮হাজার ৩’শ টাকা প্রদান করে। মানববন্ধন থেকে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষনা করেন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামী ১৮অক্টোবর শনিবার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দোয়া অনুষ্ঠান, ২২অক্টোবর বুধবার উপজেলা সদরে কালো ব্যাজ ধারণ ও মৌন মিছিল। উলে¬খ্য, গত ৯অক্টোবর বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে দূর্বত্তদের দেয়া আগুনে অধ্যাপক খলিলুর রহমানের ঘুমন্ত পরিবার মারাত্মক ভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়। আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৪অক্টোর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মারা যান ছোটপুত্র তামিম আজাদ। এখনো ঢামেকে আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন খলিলুর রহমানের স্ত্রী শাহানারা খাতুন ঝর্না ও বড় পুত্র তানভির আসাদ।






মন্তব্য চালু নেই