মেইন ম্যেনু

লক্ষ্মীপুরের সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে পাঠ্যবই বিক্রির সময় গ্রেপ্তার ১, বই জব্দ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতার রসুলগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই বিক্রি কালে মাসুদ আলম নামে একজনকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাসুদ আলম চররুহিতা গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে।

এসময় উদ্ধার করা হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্র্রেণির পাঠ্য বই। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীর হাতে তুলে না দিয়ে বাজারে বিক্রি করেছে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ রসুলগঞ্জ বাজার এলাকায় বই বিক্রির সময় মাসুদ আলম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্য বই।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই বিক্রির সময় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রামগতি যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক
রামগতি উপজেলার পশ্চিম চরসীতা এলাকায় যৌতুকের জন্য স্ত্রী নাহারুন বেগমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ দুপুরে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত নাহারুন বেগম একই এলাকার দুলাল হাওলাদারের মেয়ে। পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, রামগতি উপজেলার পশ্চিম চরসীতা গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে আবদুল মালেকের সঙ্গে একই গ্রামের দুলাল হাওলাদারের মেয়ে নাহারুন বেগমের আড়াই মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী আবদুল মালেক ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য নাহারুন বেগমকে চাপ দিয়ে আসছে।

রোববার রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে কয়েক দফা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এসময় নাহারুন বেগমকে বেদম মারধর করে স্বামী। এক পর্যায়ে নাহারুন বেগমকে ভোররাতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ খাটে পেলে পালিয়ে যায় স্বামী। পরে নাহারুন আত্মহত্যা করেছে বলে এলাকায় প্রচার করে শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নাহারুন বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহত গৃহবধূ নাহারুন বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী আবদুল মালেক পলাতক রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্ত্রীর দায়ের মামলায় লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে আসামির মৃত্যু
লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি শাহ আলমের মৃত্যু হয়েছে। ভোররাতে জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহ আলমকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহ আলম জেলার রায়পুর উপজেলার সাইচা গ্রামের মৃত রেনু বেপারির ছেলে।

জেলা কারাগার সূত্র জানায়, স্ত্রীর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলায় লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল আদালত শাহ আলমকে গত ৮ই এপ্রিল লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে পাঠায়। এরপর থেকে শাহ আলম লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে থাকতেন। দুপুরে তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। এরপর বিকালে কারাগারে নেয়া হয় শাহ আলমকে। সন্ধ্যায় শাহ আলম বুকে ব্যথা অনুভব করায় কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে চিকিৎসা শেষে রাতে তাকে জেলা কারাগারে নেয়া হয়। ভোররাতে পুনরায় শাহ আলম কারাগারে বুকে ব্যথা অনুভব করায় তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলার মো. দিদারুল আলম জানান, হাজতি শাহ আলম ভোররাতে কারাগারে বুকে ব্যথা অনুভব করায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মযনাতদন্তের জন্য মর্গে সদর হাসপাতাল রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই